বছরে অন্তত দু’কোটি কাজের সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতিতে সওয়ার হয়ে ২০১৪ সালে দিল্লির মসনদে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট অবশ্য হিসেব দিল গত দু’বছরে মাত্র আড়াই লাখ বাড়তি কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির।

বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা মিলিয়ে কর্মী সংখ্যা ২০১৮-র ১ মার্চ ৩৫.০৫ লক্ষ ছোঁবে বলে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির ২০১৮-’১৯ সালের বাজেটে জানানো হয়েছে। ২০১৬-র ১ মার্চ তা ছিল ৩২.৫২ লক্ষ। ফলে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাড়তি কাজের খোঁজ মিলেছে সাকুল্যে ২.৫৩ লাখ।

সবচেয়ে বেশি কাজ তৈরি হয়েছে পুলিশের বিভিন্ন দফতরে। বাজেটের নথি অনুযায়ী সেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে ১ মার্চের মধ্যে কাজ পাবেন বাড়তি ১ লক্ষ কর্মী। ফলে মোট কর্মী সংখ্যা দাঁড়াবে ১১,২৫,০৯৩ জন। তার পরে রয়েছে বেশ কিছু মন্ত্রক। যেমন, কৃষি, সমবায় ও কৃষক কল্যাণ দফতরে যোগ হবে ১৯৪৪ বাড়তি কাজ। মোট কর্মী সংখ্যা ছোঁবে ৫৯৪০। ১৫১৯ চাকরি যোগ হবে পশুপালন, ডেয়ারি ও মৎস্যচাষ দফতরে। কর্মী সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৮৬১।

পারমাণবিক শক্তি দফতরে দু’বছরে কর্মী সংখ্যা ৬২৭৯ বেড়ে হবে ৩৬,৯১৮ জন। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকে ১১৪৫ জন নতুন কর্মীকে ধরলে মোট সংখ্যা হবে ১১৯৭। বিদেশ দফতরে ষোগ দিচ্ছেন আরও ১১৯৬ জন কর্মী। ২০১৬ সালে তা ছিল ৯৬৭২ জন।

পরিবেশ, বন ও আবহাওয়ার পরিবর্তন সংক্রান্ত দফতরে তৈরি হচ্ছে ২২৩৪টি কাজ। মোট কর্মী সংখ্যা হবে ৫১১৯। খনি মন্ত্রকে তৈরি হয়েছে বাড়তি ৭৭২ কাজ। ফলে কর্মী সংখ্যা আগামী ১ মার্চ দাঁড়াবে ৮৫৬২।