বাজারে আচমকাই সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে ধানের দাম। এর ফলে চাষিরা ভাল দর পেলেও ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকারের ধান কেনা। খাদ্য দফতর এখনই বাজার থেকে ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছে দিনে ১০ হাজার টন।

খাদ্য দফতর সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির শুরুতেই সহায়ক মূল্যের থেকে বাজার দর কুইন্টলে ৬০-৭০ টাকা বেড়ে গিয়েছে প্রায় সব জেলায়। বর্ধমানে চালকলগুলিতে দাম কুইন্টলে ১৬১০-১৬২০ টাকা। চাষিরা ঘরে বসে ১৫৮০ টাকা করে দাম পাচ্ছেন। দাম বাড়ার আগে প্রতিদিন ৪০ হাজার টন কিনছিল রাজ্য। বছরে ১৫৫০ টাকা সহায়ক মূল্যে ৫২ লক্ষ টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে রাজ্য।

গত ফেব্রুয়ারিতে দর ছিল ১২১০-১২২০ টাকা। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘‘ধান কেনা কমলেও চালের অভাব হবে না।’’

কেন দাম বাড়ল? রাজ্যের চালকল মালিক সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি আব্দুল মালেকের দাবি, বন্যায় উৎপাদন মার খেয়েছে। বাংলাদেশে প্রচুর রফতানি হচ্ছে। চাহিদা-জোগানে তাই ফারাক তৈরি হয়েছে। রাজ্য ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পশুপতি পরামানিক জানান, সরু চালের ধানের পাশাপাশি অনেকে গোবিন্দভোগের মতো সুগন্ধি ধানও চাষ করছেন। ফলে কিছু ক্ষেত্রে জোগান কমেছে বলে দামও বেড়েছে।