ফের ডেঙ্গিতে মৃত্যু। আর ঘটনাস্থল সেই উত্তরপাড়া।

মৃত দেবাংশু খেদবাল (২১) উত্তরপাড়ার আর কে স্ট্রিটের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,  দিন কয়েক আগে জ্বর ও নানা উপসর্গ নিয়ে কলকাতার আলিপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। বুধবার সন্ধ্যায় মারা যান দেবাংশু।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃতী ছাত্র দেবাংশু স্নাতক হওয়ার পর চাকরির খোঁজ করছিলেন। কয়েক দিন আগে তাঁর জ্বর হয়। কিন্তু টানা জ্বর থাকায় বাড়ির লোকজন ২৯ নভেম্বর তাঁকে আলিপুরের ওই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করান। কিন্তু তাঁর পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হতে থাকে। বুধবার মারা যান তিনি।  তাঁর ডেথ সার্টিফিকেটেও মত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গির উল্লেখ আছে।

মৃত তরুণের বাড়ির লোকজনের বক্তব্য, ‘‘পুরসভার ডেঙ্গি প্রতিরোধে গা-ছাড়া ভাব। পুর এলাকায় মানুষের পর পর মৃত্যু হলেও তাঁদের হুঁশ ফেরেনি। সেই জন্যই পরপর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।’’

এর আগেও জ্বরে মৃত্যু হয়েছিল উত্তরপাড়ার এক মহিলার। মৃত্যুর শংসাপত্রে মাল্টিঅরগ্যান ফেলিওর লেখা থাকলেও সেই সময় পরিবারের অভিযোগ ছিল, ডেঙ্গিতেই  মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পুরসভাও ডেঙ্গির কথা স্বীকার করেনি। এই নিয়ে হুগলি জেলায় জ্বর ও ডেঙ্গিতে অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হল।

গত বছর শ্রীরামপুরে ডেঙ্গি ভয়াবহ আকার নেয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে শ্রীরামপুরের জ্বরকে মহামারী ঘোষণা করে
রাজ্য সরকার। এ বার শ্রীরামপুরের পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও এবারও সেখানে মৃত্যু ঠেকানো যায়নি। পুর প্রধান দিলীপ যাদব বলেন, ‘‘আমরা সাধ্যমত এলাকায় ডেঙ্গি প্রতিরোধে চেষ্টা করছি। ডেঙ্গির রক্ত পরীক্ষাও বিনামূল্যে পুরসভার হাসপাতালে করে দেওয়া হচ্ছে।’’