মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে ফের জখম হলেন দুই পুলিশ কর্মী।

গত মাসেই বাসন্তীর হেতালখালিতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে এক স্কুল ছাত্র-সহ ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এক পুলিশকর্মীও ওই দিন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। কয়েক দিন আগে মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটে তাঁর বাড়িতে দলীয় কোর কমিটির বৈঠকে বাসন্তী নিয়ে যুযুধান সব পক্ষের নেতাকে ধমকে ছিলেন। তারপরেও বাসন্তীতে গোষ্ঠী কোন্দল থামার কোনও লক্ষণ নেই।

রবিবার রাতে বাসন্তীর শিমুলতলায় দু’পক্ষের মধ্যে বোমাবাজি শুরু হয়। পুলিশ গেলে তাদের দিকেও বোমা ছোড়া হয়। দুই পুলিশকর্মী সামান্য জখম হয়েছেন। বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার অরিজিৎ সিংহ বলেন, ‘‘পুলিশের উপরে আক্রমণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজা গাজি, ফক্কর গাজি, লুৎফর লস্কর (কালু) এবং আমির হোসেন লস্করকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’’

তৃণমূলের একাংশের অভিযোগ, রবিবার রাতে প্রাক্তন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মন্টু গাজির অনুগামীরা শিমুলতলায় যুব কর্মীদের উপরে হামলা চালাতে জড়ো হয়েছিল। বোমাবাজি শুরু করে তারা। যুব কর্মীরাও পাল্টা বোমা ছোড়ে বলে অভিযোগ। তবে কেউ জখম হয়নি।

খবর পেয়ে পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। জখম পুলিশ কর্মীদের বাসন্তী ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দু’পক্ষের যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার মধ্যে মন্টুর ছেলে রাজাও আছে।

প্রাক্তন বাসন্তী ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি আমান লস্কর বলেন, ‘‘তৃণমূলের কিছু লোক এলাকায় দলীয় সভা করার নামে উস্কানিমূলক কথা বলে হিংসা ছড়াচ্ছে। এ দিন ওরাই আমাদের কর্মীদের উপরে পরিকল্পিত ভাবে হামলা করতে এসেছিল।’’ অন্য দিকে, মন্টুর বক্তব্য, ‘‘ওরা আমার ভাইকে মারল। আমরা প্রতিবাদ করলে বোমাবাজি করেছে। উল্টে আমার ছেলেকেই গ্রেফতার করা হল।’’