অবৈধ ভাবে মাটি কেটে পুকুর তৈরি করতে চাইছে কিছু লোক। আর তাতেই চাকদহ শহরের একাংশে আবাদি জমির বড় অংশ জুড়ে ধস নামছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক জন বাসিন্দা এ ব্যাপারে কল্যাণীর মহকুমাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মহকুমাশাসকের দফতর বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে বিডিওকে রিপোর্ট দিতে বলেছে। চাকদহের বিডিও নিশীথভাস্কর পাল জানান, তিনি এখনও চিঠি হাতে পাননি। পেলে বিষয়টি দেখবেন।

অভিযোগ, চাকদহ চাকদহপুরে ১২৩৪ খতিয়ানের বিঘে দু’য়েকের একটি জমি রয়েছে এক ব্যক্তির। তিনি সেখানে পুকুর তৈরির জন্য মাটি কাটা শুরু করেছেন, কিন্তু তার জন্য কোনও জায়গা থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এবং পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত কোনও নিয়মকানুন মানা হয়নি। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রামচন্দ্র রাজবংশী, মাধব রাজবংশী, গৌরী সর্দার, কৃষ্ণ মণ্ডল ও প্রদীপ সরকার দিন দশেক আগে এ ব্যাপারে মহকুমাশাসকের দ্বারস্থ হন। তাঁরা জানিয়েছেন, অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ না হলে ধসের ফলে আশপাশের বাড়িগুলিরও বিপদ হবে। 

অভিযোগকারীদের দাবি, যে জমিতে মাটি কাটা হচ্ছে তার পাশেই অনেকটা অংশ জুড়ে তাঁদের তিন ফসলি আবাদি জমি। পুকুর কাটার সময় কোনও পাড় রাখা হচ্ছে না। ফলে নিচু জলাভূমির পাশেই পড়ে যাচ্ছে তাঁদের ফসলি জমি। জমির বিভিন্ন জায়গায় ধস নামা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয়েরা থানা, পুরসভা, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরেও অভিযোগ দায়ের করেছেন।