চা বাগানগুলো পরির্দশন করবে কেন্দ্রীয় পরির্দশন দল। রাজ্য সরকার চা বাগানগুলোতে পর্যাপ্ত রেশন দিচ্ছে না। রবিবার আলিপুরদুয়ার জেলা সফরের প্রথম দিন চা বাগান নিয়ে অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

দিলীপবাবু দু’দিনের জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা সফরে এসেছে। রবিবার  আলিপুরদুয়ারে কর্মীদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার রেশনের জন্য পর্যপ্ত টাকা দিলেও তা রাজ্য দিচ্ছে না। ৩৫ কেজি করে চাল ও আটা দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে ৩৩ কেজি। একশো দিনের কাজ করানো হচ্ছে চা বাগানে।

মালিক পক্ষকে সুবিধে দেওয়া হচ্ছে। ন্যায় পাচ্ছে না শ্রমিকরা। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল ও টি বোর্ডের সদস্যার চা বাগানগুলো ঘুরে দেখবেন। চা শিল্পের উন্নয়নের জন্য কি করতে হবে তানিয়ে সার্বিক উন্নয়ন হক।

তিনি জানান, রাজ্যের শাসক দল ভয় দেখিয়ে কেস দিয়ে অন্য দলভাঙানোর কাজ করেছে। পাহাড়ের মোর্চার সঙ্গেই তাই করেছে। আমি বলছি  বিমল গুরুঙ্গের সঙ্গে আশি শতাংশ পাহাড়ের লোক রয়েছে। তিনি বলেন, “মুকুলবাবু দলে আসার পরে তৃণমূলের একে একে সব গুমোর ফাঁস হবে। যে ভাবে তৃণমূল দল ভাঙিয়েছে। মুকুলবাবু সে ভাবেই অন্য দল থেকে বিজেপিতে আসতে চাওয়া  কর্মী সমর্থকদের বিজেপিতে আনবেন।’’

বৈঠকের তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা চুপচাপ মার খাবে না। প্রথমে প্রতিবাদ করত পরে প্রতিরোধ এখন প্রতিশোধ নেবে তারা। সুদ সমেত সব ফেরত দেওয়া হবে।