দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটাতে শান্তিনিকেতনে এল চিন দেশের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ওই প্রতিনিধিদল বুধবার থেকে বিশ্বভারতী বিভিন্ন ভবন ঘুরে দেখে। এখানকার শিক্ষা পদ্ধতি, ভারতীয় সংস্কৃতি নিয়ে কার্যত মেতে ওঠে। কখনও সঙ্গীতভবন, কখন কলাভবন আবার কখন ইন্টিগ্রেটেড সায়েন্স বিভাগ ঘুরে দেখছেন। বিশ্বভারতীর চীনভবনের উদ্যোগে ওই প্রতিনিধিদলের জন্য আয়োজন হয়েছে বিশেষজ্ঞ শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়ে ক্লাসের ব্যবস্থাও।

চিনভবনের বিভাগীয় প্রধান অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কাল রবিবার পর্যন্ত ওই ৩০ সদস্যের প্রতিনিধিদল থাকছেন শান্তিনিকেতনে। ২০১১ সাল থেকে ভারত এবং চিন দেশের মধ্যে যথাক্রমে বিশ্বভারতী এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক শিক্ষিকা এক্সচেঞ্জ কর্মসূচি হয়ে আসছে। তারই অঙ্গ হিসেবে ওই প্রতিনিধি দল এসেছেন শান্তিনিকেতনে। উভয় দেশের পড়ুয়াদের নিয়ে শিক্ষা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক একাধিক কর্মসূচি রয়েছে।” বিশ্বভারতীর এক কর্তার কথায়, প্রতিবেশী দুই দেশের যুব প্রজন্মের মধ্যে শিক্ষা এবং সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও নিবিড় এবং সুদৃঢ় করা এই এক্সচেঞ্জ কর্মসূচির অন্যতম একটি উদ্দেশ্য। উল্লেখ্য, চিন দেশের ইউনান প্রদেশের খুনমিং এলাকা থেকে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অর্ধদশকের বেশি দিন ধরে বিশ্বভারতীর হয়েছে মউ স্বাক্ষর। ফি বছর উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই এক্সচেঞ্জ কর্মসূচি হয়ে থাকে। বিশ্বভারতীর বিভিন্ন ভবনের ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেমন চিন দেশে যান তেমনই ওই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রতিনিধিদল আসেন এ দেশ সফরে।