আলিপুরদুয়ারে নেপালি শিক্ষক চাই ২৪ জন। কিন্তু টেট পাশ করেছেন ৩৬ জন। বাড়তি ১২ জনকে নিয়ে কী হবে, এর জবাব ছিল না কারও কাছে। তাই সাত জনের কাউন্সেলিংয়ের পরে পুরো প্রক্রিয়া স্থগিত করে দিয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সচিব। এ বার ওই ৩৬ জনকেই নিয়োগ করার নির্দেশ এল রাজ্য শিক্ষা দফতর থেকে। আলিপুরদুয়ারের ডিআই বা জেলা স্কুল পরিদর্শকের দাবি, তাঁকে ফোনে এই নির্দেশ দিয়েছেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

সেই নির্দেশের কথা উল্লেখ করে ডিআই নৃপেন্দ্র সিনহা একটি চিঠি লিখেছেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সচিবকে। সেখানে ওই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করার ফাঁকে তিনি গোটা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: বৃদ্ধের নালিশে নাজেহাল ছেলে

চিঠিতে নৃপেন্দ্রবাবু লিখেছেন, গত ১৫ মার্চ আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোহন শর্মা ডিআই-কে তাঁর অফিসে ডেকে বলেন, পাশ করা সব ক’জনকেই যেন কাউন্সেলিং করে শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হয়। ডিআই স্থগিতাদেশের কথা জানালে সভাধিপতি তখন টেলিফোনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা বলিয়ে দেন। শিক্ষামন্ত্রীও ফোনে একই নির্দেশ দেন, চিঠিতে জানিয়েছেন ডিআই। একই সঙ্গে ডিআই বলেন, ‘‘প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সচিবের কাছে এ ব্যাপারে লিখিত নির্দেশ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছি।’’

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থ বলে ফোন কেটে দেন। মোহন শর্মাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বিষয়টি মেনে নিয়ে বলেন, ‘‘আমি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ডিআইয়ের কথা বলিয়ে দিয়েছি। উনি বলেছেন, মোহন যা বলছে, সেটা করে দাও। এর মধ্যে দোষ বা বিতর্কের কী আছে!’’