উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ছোট্ট সৃজলকে নিয়ে রওনা হলেন তাঁর বাবা, কাকা এবং শিলিগুড়ি চাইল্ড লাইনের দুই কর্মী। রবিবার বেলা দুটো নাগাদ তাঁরা রওনা হন। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা না-হওয়ায় কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করেছিল এমন ব্যক্তিদের সাহায্যেই শেষ পর্যন্ত অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়। তাতে করেই এ দিন সৃজলকে নিয়ে রওনা দেন তাঁরা। পথে গাড়ির ঝাঁকুনিতে যাতে সমস্যা না হয় সে জন্য হাসপাতাল থেকে বিশেষ ‘এয়ার ম্যাট্রেস’ ব্যবস্থা করা হয়।

হাসপাতালের তরফে জানা গিয়েছে, এ দিন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের তরফে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল কলকাতায় এনআরএস হাসপাতালে সৃজলের ভর্তির জন্য। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলে রেখেছেন ভর্তির ব্যাপারে। সেই মতো সেখানে ভর্তির জন্য ওই চিঠি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে এ দিন সৃজলের পরিবার তথা তাঁদের সঙ্গে থাকা চাইল্ড লাইনের কর্মী তারক গোস্বামীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সোমবার সকালে কলকাতায় পৌঁছে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করানো হবে সৃজলকে।

সৃজলের কুঁচকি, ঘাড়, পেটের পাশে ঘায়ে পচন ধরেছে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার এসএসকেএম-এ রেফার করেছিলেন। সরকারি হাসপাতালে নিখরচা চিকিৎসা মিললেও কলকাতায় নিয়ে যেতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা না করায় বিপাকে পড়ে সৃজলের বাবা তথা পেশায় কৃষক কালিম্পংয়ের বাসিন্দা রমেশ রাই।