প্রার্থী হিসেবে কংগ্রেস নাম ঘোষণা করছে। কিন্তু, সেই প্রার্থী রাতারাতি দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। দু’দিন ধরে এমন ঘটেই চলেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে। বৃহস্পতিবারও তার অন্যথা হয়নি। ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী অসীম অধিকারী এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। অসীমবাবু কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলর। গত পুরভোটে তিনি স্ত্রী-কে প্রার্থী করে জিতিয়ে আনেন। এ বছর ফের তাঁকে প্রার্থী করেছিল কংগ্রেস।

অসীমবাবুকে নিয়ে কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় থাকা ৫ জন তৃণমূলে যোগ দিলেন। ভোটের দোরগোড়ায় প্রার্থীরা দল ছাড়ায় নতুন মুখ খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে কংগ্রেস। তবে এ দিন কংগ্রেস ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অরুণ চন্দ এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রসেনজিৎ সাহাকে প্রার্থী করেছে। এই প্রার্থী বাছাই নিয়েও দলের অন্দরে বির্তক রয়েছে। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী প্রসেনজিৎবাবু মাস কয়েক আগে স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তের কুশপুতুল দাহ করেন।

কিছু দিন আগে তিনি বিজেপিতেও যোগ দিয়েছিলেন। জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পবিত্র চন্দ অবশ্য বলেন, ‘‘প্রসেনজিতের সঙ্গে দলের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। দলের দুঃসময়ে ঘরের ছেলে ঘরে
ফিরে এসেছে।’’

রায়গঞ্জ পুরভোটে মনোনয়ন জমা শুরু হওয়ার আগের দিন কংগ্রেসের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তথা বিদায়ী কাউন্সিলর সন্দীপ বিশ্বাস তৃণমূলে যোগ দেন। তার পর থেকে পরপর দলবদল শুরু হয়। ৪, ১৯, ১৮ এবং এ দিন ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী কংগ্রেস ছাড়লেন।

তৃণমূল এখনও কোনও মনোনয়ন জমা দেয়নি। জেলা তৃণমূল সভাপতি অমল আচার্যের দাবি, ‘‘উন্নয়নের স্বার্থে কংগ্রেসের প্রার্থীরা দল যোগ দিচ্ছেন। তাঁরা তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।’’