ফের শিলাবৃষ্টি উত্তরবঙ্গে। সোমবার দুপুরের পর জলপাইগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টি হয়৷ শিল পড়েছে আলিপুরদুয়ার, মালদহেও।

সকাল থেকে আকাশ ঝলমলেই ছিল জলপাইগুড়ি শহরে৷ কিন্তু দুপুরের দিকে আচমকাই কালো মেঘে ছেয়ে যায় আকাশ৷ শুরু হয় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দফায় দফায় বৃষ্টি৷ ঝোড়ো হাওয়া-সহ শিলাবৃষ্টি হয় ময়নাগুড়ি, ক্রান্তি, রাজাডাঙা, চ্যাংমারি সহ বেশ কিছু এলাকায়৷ ময়নাগুড়িতে প্রায় একঘণ্টা ধরে শিলাবৃষ্টি চলে৷

দুর্যোগের জেরে আলু-সহ অন্য ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷ কোথায় কতটা ফসলের ক্ষতি হল তা নিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে প্রতিটি ব্লক কৃষি দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন জেলা কৃষি দফতরের কর্তারা৷ গত কয়েকদিন ধরেই জলপাইগুড়ি জেলায় আলু তোলার কাজ শুরু হয়েছে৷ তবে অনেক আলু এখনও খেতেই রয়েছে৷ অনেকে আবার আলু তুলে তা ক্ষেতের মধ্যেই প্যাকেট করে রেখে দিয়েছেন৷  জলপাইগুড়ি উপ কৃষি অধিকর্তা সুজিত পাল বলেন, ‘‘সব ব্লক থেকে রিপোর্ট এলেই বোঝা যাবে ক্ষতি হয়েছে কি না৷’’

মিনিট দশেকের শিলাবৃষ্টিতে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হল আলিপুরদুয়ারেও। সোমবার বিকেল ছটা নাগাদ আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের বঞ্চুকামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতকোদালি গ্রামেও শিলাবৃষ্টি হয়। কোচবিহারেও নাটাবাড়ি-সহ বেশ কিছু এলাকায় শিল পড়েছে। এর জেরে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যায়।  তবে চাষে ক্ষতির শঙ্কাও রয়েছে। সন্ধের পর মালদহেও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। জেলা উদ্যান পালন দফতরের সহ অধিকর্তা রাহুল চক্রবর্তী বলেন, ‘‘এর জেরে আম চাষে ক্ষতি বাড়বে।’’