পাহাড়ে দলের সভায় যোগ দিতে আসা অরূপ বিশ্বাসকে স্বাগত জানাতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে ভিড় করলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। অন্তত চারশো কর্মী সমর্থক বিমানবন্দর চত্বরে জড়ো হয়েছিলেন বলে পুলিশের দাবি। কাছাকাছি সময়ে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উড়ান ধরেছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান তথা জিটিএ-এর বিমল গুরুঙ্গ। বিমানবন্দরে গুরুঙ্গের সঙ্গে ছিলেন জনা ত্রিশেক সমর্থক। বাডগোডরা বিমানবন্দরে রবিবার দুপুরের এই দুই ছবি পাহাড়ের বর্তমান রাজনীতির দিক নির্দেশ করছে বলে তৃণমূল নেতাদের একাংশের দাবি। মোর্চা নেতাদের পাল্টা দাবি, পাহাড়ে পৌঁছলে এই দুই ছবি পুরোপুরি পাল্টে যাবে।

এ দিন বিমানবন্দরে জড়ো হওয়া ভিড় যে সমতলের নয় তার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে তৃণমূলও। বিমানবন্দর থেকেই সমর্থক বোঝাই গাড়ি অরূপবাবুর কনভয়ের সঙ্গে গিয়েছে। পাহাড়ে ওঠার রাস্তায় শিমূলবাড়িতে দার্জিলিঙের একটি আদিবাসী সংগঠন অরূপবাবুকে স্বাগত জানিয়েছেন। অরূপবাবু তাঁদের সঙ্গে ‘জয় জোহার’ স্লোগানও তুলেছেন। শিমূলবাড়ি থেকে কার্শিয়াং পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে তৃণমূল সমর্থকরা পতাকা নিয়ে জড়োও হয়েছিলেন। যা দেখে অরূপবাবু দাবি করেছেন পাহাড়ের তিন পুরসভার ফল নিয়ে তিনি ‘যথেষ্ট’ আশাবাদী।

এ দিন রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত পাহাড় জুড়ে তৃণমূলে যোগদান কর্মসূচি রয়েছে। বস্তুত গত শনিবার থেকেই বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা দলে আসতে শুরু করেছেন বলে দাবি পাহাড় তৃণমূলের। মিরিকের মোর্চা নেতা এলবি রাই সহ জন আন্দোলন পার্টির নেতারা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

এ দিন অরূপবাবু বলেন, ‘‘পাহাড়ের প্রচুর মানুষ তৃণমূলে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত কার্শিয়াঙ, দার্জিলিং মিরিকে যোগদান হবে।’’ প্রাক্তন উপপুরপ্রধান কল্পনা ছেত্রী সহ মোর্চার একাধিক নেতা তৃণমূলে যোগ দেন এ দিনই বিকেলের সভায়। আরও বেশ কয়েকজন প্রথম সারির নেতা  ও বিভিন্ন এলাকার কর্মীরাও তৃণমূলে যোগ দিতে আগ্রহী বলে শাসক দল সূত্রে খবর মিলেছে।