অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল বিশ্বকাপ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তৎপর নবান্ন। সেই তৎপরতারই আঁচ পড়ল জেলায়। বিশ্বকাপ নিয়ে বাসিন্দাদের উৎসাহ বাড়াতে পুলিশ, প্রশাসনের তরফে শোভাযাত্রা বের করা হল উত্তরের জেলাগুলোয়।

কোথাও ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। কোথাও স্থানীয় প্রাক্তন ফুটবলারদের সংবর্ধনা দেওয়া হল। শনিবার শিলিগুড়ি, কোচবিহার, ইসলামপুর, বালুরঘাটের মতো বিভিন্ন শহরে বিশ্বকাপের রেপ্লিকা নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। আলিপুরদুয়ারে এ দিন দুপুরে স্থানীয় সূর্যনগর মাঠে ভুটানের ফুন্টশেলিং শহরের একটি দলের সঙ্গে প্রর্দশনী ম্যাচ হয় আলিপুরদুয়ার জেলা ফুটবল দলের। সেই খেলায় আলিপুরদুয়ার জিতেছে।

শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক থেকে পুলিশের উদ্যোগে র‌্যালি বের হয়। বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়া, শিক্ষক, খেলোয়াড়দেরও তাতে সামিল হন। পুলিশ ব্যান্ড ছিল। জেলা তথ্য সংস্কৃতি দফতরের তরফেও র‌্যালি আয়োজনে সহযোগিতা করা হয়েছে।

আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথ জানান, এ দিন দুপুর বারোটায় বিএম ক্লাব ময়দানে জেলার প্রাক্তন ফুটবলারদের  সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শোভাযাত্রাও হয়েছে আলিপুরদুয়ার সূর্যনগর মাঠ পর্যন্ত। সেখানে ভুটানের ফুন্টশেলিং শহরের এসপি দাশু ওয়াংচুলা, মহকুমাশাসক দাশু করমা-সহ ভুটানের সরকারি আধিকারিকদের একাংশ উপস্থিত ছিলেন। আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী ও আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রী  জেমস কুজুর ম্যাচের সূচনা করেন। সৌরভ চক্রবর্তী জানান, ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে খেলার চেয়ে বড় কিছু নেই। এ দিনের ম্যাচ দেখতে ভিড় জমিয়ে ছিলেন অনকে। বালুরঘাটেও জেলা পুলিশের উদ্যোগে ট্যাবলো বের হয়। বিভিন্ন ক্লাব ও সংস্থা প্রতিনিধি, ফুটবলাররা তাতে অংশ নেন। থানা চত্বরে অনুষ্ঠান করে জেলার প্রাক্তন ফুটবলারদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

উচ্ছ্বাস ছিল কোচবিহারেও। এ দিন জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইন মোড় থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে একটি মিছিল। ইসলামপুর হাইস্কুল মাঠ থেকে শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিল ইসলামপুরের বিধায়ক তথা পুরসভার চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল অগ্রবাল-সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন বিভিন্ন ক্লাবের সদস্য, সিভিক ভলান্টিয়াররাও।