অন্তর্দ্বন্দ্বে রাশ টানতে রদবদল শুরু সংগঠনে

নিজস্ব সংবাদদাতা কলকাতা, ২৬ মে ২০১৬
nabanna

পাঁচ আমলার পায়ে বেড়ি পরাল নবান্ন

ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনের শীর্ষ মহলকে ফরমান দিয়েছিলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পদ খোয়ানো অফিসারদের শপথের আগেই আগের দায়িত্বে ফিরিয়ে দিতে হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা কলকাতা, ২৬ মে ২০১৬

মুখ্যমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের তালিকায় শিশু নিখোঁজের বিষয়টা কি আসবে?

এ বড় সুখের সময় নয়। এ বড় সুখের খবর নয়। শিশুদের হারিয়ে যাওয়ার তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ সামনের সারিতে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর ৫ বছরের তথ্য যা বলছে তা চমকে দেওয়ার মতো।

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ বিভাগ

রিপোর্টারের চোখে

ujjwal chakrabarty

অনেক প্রশ্ন মাথায় নিয়েই ভোটে গেল নন্দীগ্রাম

কত্ত প্রশ্ন। একটারও জবাব নেই! আর সে সব না জেনেই ভোট দিতে যাচ্ছে নন্দীগ্রাম। আবার, কত্ত উত্তর। একটারও প্রশ্ন নেই! সে সব গায়ে না মেখেই ভোট দিতে গেল নন্দীগ্রাম। উত্সাহটাই যেন হারিয়ে গিয়েছে তার! তবুও প্রশ্নগুলো তো ঘুরে বেড়াচ্ছে বাতাসে। কী রকম?

লিখছেন উজ্জ্বল চক্রবর্তী

আপনার মত

তারার চোখেসম্পূর্ণ বিভাগ

একটা ছোট রাজ্যে এত রাজা কেন?

‘ভোট দিয়ে যা, আয় ভোটাররা’ খুব ছোটবেলায় শোনা ‘দাদাঠাকুর’ সিনেমার সেই গান। আমার তখনও বয়স হয়নি, তাই ভোট দিতে যাবার অনুমতি ছিল না।

শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়২৮ এপ্রিল, ২০১৬

সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে বলব, আমি তোমাদেরই লোক

দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে ডানকুনি টোল ট্যাক্স পার করে বর্ধমানের দিকে কিছুটা এগোতেই সিঙ্গুর মোড়। এখনও এখান দিয়ে যেতে গেলেই চোখ আটকে যায় রাস্তার বাঁ দিকে, দুটো বড় লোহার গেট, অব্যবহারে মরচে ধরেছে জায়গায় জায়গায়। চারধার আগাছায় ভর্তি। গেটের ও-পারে রাস্তা ধরে বেশ খানিকটা এগোলেই বিশাল বিশাল টিনের শেড খালি পড়ে আছে। কোথাও বা কিছু কিছু যন্ত্রপাতি পড়ে রয়েছে তার মধ্যে। চার পাশের বিশাল জমিতে বড় বড় ঘাস। সব মিলিয়ে সূর্য ডুবে গেলে বেশ একটা গা ছমছমে ভাব আন্দাজ করা যায়।

বাদশা মৈত্র২৭ এপ্রিল, ২০১৬

আমি দুই দিকেতে রই, পরাণ জলাঞ্জলি দিয়া

‘আমি ডান দিকে রই না, আমি বাম দিকে রই না, আমি দুই দিকেতে রই, পরাণ জলাঞ্জলি দিয়া।’— এর থেকে ভাল ভাবে নিরপেক্ষতা বোঝানোর ভাষা আমার জানা নেই। রাস্তায় চলার সময় ডান দিক, বাঁ দিক ভাল ভাবে দেখে চলাই আমার অভ্যেস। এ বার থেকে বোধহয় ওপর দিকটাও দেখে চলতে হবে!

শ্রীলেখা মিত্র২৩ এপ্রিল, ২০১৬

কী বলছেন নেতাসম্পূর্ণ বিভাগ

বিচারক মানুষ সময়ের অপেক্ষায়

হালিশহরের সাড়ে তিন বছরের শিশুটি খবর হতে চায়নি। ওর মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী কেউ চায়নি ও খবর হোক। তবু হল। হতে হল। ওর হাতের কালশিটের দাগ গণতন্ত্রের উৎসবের শরীরে যে দগদগে ঘায়ের জন্ম দিল তার প্রতিটি রক্তবিন্দু থেকে উৎসারিত ঘৃণা শাসকের শিরা-ধমনীতে হিমস্রোত বইয়ে দিয়েছে।

তন্ময় ভট্টাচার্য৩০ এপ্রিল, ২০১৬

ভোট লুঠের কায়দা বের না করে তৃণমূল উন্নয়নে মন দিলে মঙ্গল হত

গণতন্ত্রের সব থেকে বড় দিক হল নির্বাচন। আমরা ভোটের দিন কী দেখি? দেখি, ভোট দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মানুষ বুথের বাইরে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। দেশের প্রথম নাগরিক, অর্থাৎ রাষ্ট্রপতিকেও লাইনে দাঁড়িয়েই ভোট দিতে হয়।

শিশির বাজোরিয়া২২ এপ্রিল, ২০১৬

সুজেটকে মনে রেখে

কোনও রাজনৈতিক ভাষ্য নয়, এমনকী, ভোটের ঠিক মুখে প্রচারেরও কোনও প্রয়াস নয়। তুলি-কলমে পার্ক স্ট্রিটের সেই নির্যাতিতাকে মনে করলেন কংগ্রেস নেত্রী।

দীপা দাশমুন্সি১৯ এপ্রিল, ২০১৬