বাহুবলী, কাটাপ্পার সঙ্গে দেখা করতে চান? এ বার পুজোয় সেই সুযোগ পেতে পারেন আপনি। সৌজন্যে কোচবিহার শহর লাগোয়া খাগরাবাড়ি সর্বজনীন পুজো কমিটি। উদ্যোক্তারা জানান, মণ্ডপ হচ্ছে সিনেমার পর্দায় দেখা বাহুবলী রাজপ্রাসাদের আদলে। কলকাতার শিল্পীরা কাজ করছেন। ১২৩ ফুট প্রস্থ, ৬৫ ফুট উচ্চতার ওই মণ্ডপের ভেতরে আমড়া, হরিতকি, কদবেলের মত শুকনো ফলের কারুকাজ নজর কাড়বে। মণ্ডপ চত্বরে ফাইবারের তৈরি বাহুবলী, কাটাপ্পাদের ছবি সাজানো থাকবে। রাজবাড়ির অন্দরে দেখা মিলবে সৈন্যসামন্ত, হাতি, ঘোড়ার।

আরও পড়ুন: ‘বাহুবলী’ কে, তাল ঠুকছে দুই পুজো

রবিবার পুজো কমিটির তরফে সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। পুজো কমিটির কর্তা সজল সরকার বলেন, “এ বারেও আমাদের মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়বে বলে আশা করছি। মণ্ডপ, আলো থেকে প্রতিমা সব কিছুই দর্শকদের চোখ ধাঁধিয়ে দেবে বলে বিশ্বাস।” উদ্যোক্তারা জানান, ওই পুজোয় প্রতিমা তৈরির দায়িত্বে রয়েছেন স্থানীয় শিল্পী ভাষাণচন্দ্র পাল। মণ্ডপ সজ্জার কাজ সামলাচ্ছেন শিল্পী রতন তালুকদার। রতনবাবু বলেন, “বাহুবলী, কাটাপ্পাদের মডেল নজর কাড়বে। মণ্ডপের সামনে জলে বাহুবলীর শিবলিঙ্গ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্যায়ন সাজিয়ে তোলা হবে।”

আরও পড়ুন: স্বপ্নাদেশ পেয়ে উঠে যায় বলিদান প্রথা

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, তাঁদের বাজেট ৫০ লক্ষাধিক টাকা। জেলার অন্যতম সেরা বিগ বাজেটের পুজো এটি। পুজো উপলক্ষে দরিদ্রদের বস্ত্র বিতরণ সহ নানা সামাজিক কর্মসূচিও নিয়েছেন তাঁরা। তবে বৃষ্টি নিয়ে কিছুটা চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। এলাকার কয়েক জন বাসিন্দা জানান, গত বছর থেকে তিনটি ক্লাব একজোট হয়ে ওই পুজোর আয়োজন করছেন। গত বার মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের আদলে মণ্ডপসজ্জায় তাঁরা তাক লাগান। এ বার বাহুবলী হিট হবে। কারণ উদ্যোক্তাদের দাবি, যাঁরা বাহুবলী দেখেছেন তাঁরা যেমন টান এড়াতে পারবেন না, যাঁরা দেখেননি তাঁরাও ওদের দেখার সুযোগ নিতে চাইবেন। মণ্ডপ দেখে হয়তো কেউ প্রশ্নও তুলবেন ‘‘কাটাপ্পা নে বাহুবলী কো কিঁউ মারা?’’