এক জন মা সব সময় চান, তাঁর সন্তানের পুষ্টি যেন একদম পারফেক্ট হয়। কিন্তু, আজকের এই চট জলদির যুগে, একগাদা প্রোডাক্টের প্রতিশ্রুতির ভিড়ে সেরা পুষ্টির উত্সটা খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন।

দিনের শুরুটা যদি ঠিকঠাক ব্রেকফাস্ট দিয়ে হয়, পুষ্টির কোটা পূরণ করাটা বেশ সোজা হয়ে যায়। কিন্তু, ছানাদের পছন্দসই ব্রেকফাস্টের জোগান দেওয়া যে কতটা কঠিন, তা শুধু মায়েরাই জানেন। দুধে তাদের রুচি নেই, মন ছোটে শুধু জাঙ্ক ফুডের দিকে। গোদের উপর বিষফোঁড়া, সময়ের ভীষণ অভাব। ঘুম থেকে ছানাদের তোলো, রেডি করো ইস্কুলের জন্য, বায়নাক্কা সামলিয়ে মুখের সামনে হাজির করো মনপসন্দ ব্রেকফাস্ট, তাদের টিফিন তৈরি করো, ইস্কুলে পাঠাও, তাপ্পর রেডি হও নিজের অফিসের জন্য। সব মিলিয়ে সময়ের ভাঁড়ারে টান সর্বদা।

এই মহা সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন এমন চটজলদি খানা যা একসঙ্গে পুষ্টিকর ও টেস্টি দুটোই হবে, হবে ভিটামিন আর মিনারেলে ঠাসা, যার মধ্যে থাকবে ফল আর সব্জির গুণও।

লাইফস্টাইল আর ফুড হ্যাবিটের কথা মাথায় রেখে, এই সব সমস্যার সমাধানে হাতের সামনে আছে সেই পুরনো বন্ধু হরলিক্স। বার্লি, গমের সঙ্গে ভিটামিন ডি, বি ওয়ান, বি টু, বি সিক্স, বি টুয়েলভ, সি এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদানে ঠাসা এই পানীয় ছোটদের বানায় ‘টলার, স্ট্রংগার, শার্পার’।

বাড়ন্ত বয়সে শরীর, বুদ্ধি, পেশি, হাড়ের যথাযথ বিকাশের জন্য শিশু-কিশোরদের অতিরিক্ত দেখভাল প্রয়োজন।

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টের যথাযথ জোগান অ্যানেমিয়ার মতো সমস্যার মোকাবিলা করে। আয়রন, জিঙ্ক আর কপারের গুরুত্ব এ ক্ষেত্রে অপরিসীম।

দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দু’বার দু’গ্লাস করে হরলিক্স আপনার সন্তানের রোজকার নিউট্রিয়েন্টের চাহিদা সহজে মেটাবে।