পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলই। ঠিক ১০ বছর পরে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর পুত্র বিলাবল ফের দাবি করলেন ‘‘পারভেজ মুশারফই মায়ের খুনি।’’ তাঁর দাবি, মুশারফের সরকার বেনজিরকে উপযুক্ত নিরাপত্তা দেয়নি।

তবে আজই একটি পাক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, বেনজিরকে খুনের ষড়যন্ত্র করতে আফগানিস্তানে এসেছিলেন আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেন। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর একটি রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যমটির দাবি, ওসামার নিশানায় ছিলেন তৎকালীন সেনাশাসক পারভেজ মুশারফও।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসেই আল কায়দার এই ছক নিয়ে অভ্যন্তরীণ মন্ত্রককে সতর্ক করে দিয়েছিল আইএসআই। তারা জানিয়েছিল, মুশারফ, বেনজির ভুট্টো এবং জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল নামে একটি সংগঠনের প্রধান ফজলুর রহমানকে খুন করার চক্রান্ত চলছে।

আইএসআই রিপোর্টে জানায়, মূলতানের বাসিন্দা মুসা তারিককে একটা ক্যুরিয়ার পাঠানোর কথা ওসামার। ওয়াজিরিস্তান হয়ে আসবে সেটি। তাতে যে বিস্ফোরক থাকবে, তাই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা হবে। রিপোর্টের শেষ তিন লাইনে লেখা ছিল, ‘‘গোটা ষড়যন্ত্রটি নিজে দেখভাল করছেন ওসামা। তাই আফগানিস্তানে চলে এসেছেন তিনি।’’

ওই চিঠিতে মন্ত্রককে অনুরোধ করা হয়েছিল, বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। সেনার দফতরেও ওই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। পরের দিনই অর্থাৎ ২০ ডিসেম্বর চিঠি পায় তারা। এর সাত দিন পরেই, ২৭ ডিসেম্বর রাওয়ালপিন্ডির লিয়াকত বাগে নির্বাচনের প্রচার সমাবেশে খুন হয়ে যান ভুট্টো।