প্রতিশোধের ডাক দিলেন ইয়েমেনের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লা সালেহের ছেলে আহমেদ আলি সালেহ। গতকাল সানায় নিজের বাড়িতে হুথি জঙ্গিদের হামলায় নিহত হয়েছেন সালেহ। গৃহযুদ্ধে দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে সমর্থন করার জন্য ‘বিশ্বাসঘাতক সালেহকে মারা হয়েছে’ বলে কালই জানিয়েছিল হুথি গোষ্ঠী।

আরব দুনিয়ার দরিদ্রতম দেশটিতে গত সপ্তাহ থেকে সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে জোর লড়াই চলছে। তার মধ্যেই হঠাৎ গত শনিবার নিজের অবস্থান পাল্টে আরব-পন্থী বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদ্রাব্বু মনসুর হাদিকে সমর্থন করে বসেন গদিচ্যুত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট সালেহ। তারই বদলা নিতে কাল সকালে সালেহের বাড়িতে বোমা ছোড়ে ইরান-পন্থী হুথি জঙ্গিরা। মাথায় স্‌প্লিন্টার ঢুকে মারা যান ৭৫ বছরের সালেহ।

আজ সৌদি আরবের এক টিভি চ্যানেলে সালেহের ছেলে আহমেদ আলির এক সাক্ষাৎকার দেখানো হয়েছে। সেখানে আহমেদ বলেছেন, ‘‘ইয়েমেন যতক্ষণ না হুথি-মুক্ত হচ্ছে, আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। আমার বাবার মৃত্যুর বদলা নিতেই হবে। ইরানকে জাহান্নমে পাঠিয়ে তবেই থামব আমরা।’’ আহমেদের সুরে সুর মিলিয়েই আজ সানাতে লাগাতার বোমাবর্ষণ করেছে সৌদি বাহিনী।

চুপ করে বসে নেই ইরানও। আজ ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ‘‘যারা ইয়েমেন আক্রমণ করছে, তাদের সাবধান করছি। সে দেশের মানুষ এই হামলাকারীদের ছেড়ে দেবে না।’’ সালেহের মৃত্যুর পরে ইয়েমেনের বর্তমান অবস্থাকে ‘বিস্ফোরকের উপর বসে থাকা একটি দেশ’ আখ্যা দিয়ে আরব দুনিয়ার বেশির ভাগ দেশই এই হত্যাকাণ্ডের কড়া নিন্দা করেছে।