ইয়েমেনের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লা সালেহ নিহত হয়েছেন। হত্যার দায় নিয়েছে হুথি গোষ্ঠী, এত দিন যাদের পাশে থেকে সরকার-বিরোধী আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন সালেহ।

সোমবার সকালে সালেহ-এর মতো দেখতে এক জনের ছবি প্রকাশ করে হুথি। মাথায় গভীর ক্ষত। সঙ্গে এক বিবৃতি: ‘‘বিক্ষুব্ধকারীদের মধ্যে যে সঙ্কট দেখা দিয়েছিল, তার অবসান ঘটেছে। মারা গিয়েছে বিশ্বাসঘাতক নেতা।’’ পরে সালেহ-এর নিজের দল ‘জেনারেল পিপলস কংগ্রেস’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, খবরটি সত্যিই। সোমবার সকালে ৭৫ বছর বয়সি প্রবীণ নেতার বাড়িতে বোমা ছুড়েছিল হুথি জঙ্গিরা, তাতেই নিহত হয়েছেন সালেহ। 

২০১২-তে গদিচ্যুত হওয়ার পরে এই হুথির সঙ্গেই হাত মিলিয়ে বিক্ষুব্ধদের দলে নাম লিখিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর অবস্থানে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল। গত শনিবারই এক বিবৃতি দিয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদ্রাব্বু মনসুর হাদিকে সমর্থন জানান তিনি।

১৯৭৮-এ, ৩৬ বছর বয়সে প্রথমে উত্তর ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন সালেহ।  পরে ১৯৯০-এ দক্ষিণ ইয়েমেনের সঙ্গে উত্তর ইয়েমেন মিলে গেলে নতুন ইয়েমেনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। গৃহযুদ্ধে-দীর্ণ দেশটিতে দীর্ঘ ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন তিনি।