ভারতীয় ক্লাব ফুটবলের ভবিষ্যৎ কোন খাতে বইবে তা জানতে আরও মাস পাঁচেক ধৈর্য ধরতেই হবে ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন মাসের আগেই সম্ভবত পরিষ্কার হয়ে যাবে আইএসএল আর আই লিগ সামনের মরসুমে আদৌ মিলছে কি না! ফিফার নিয়মানুযায়ী জুন মাস থেকে ফুটবলারদের ‘ট্রান্সফার উইন্ডো’ খুলে যায়। স্বভাবতই তার আগে দুই লিগের সংযুক্তি হবে না, আলাদাই থাকবে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফেডারেশনকে। বুধবার আই লিগের সিইও সুনন্দ ধর দিল্লি থেকে ফোনে বলছিলেন, ‘‘ট্রান্সফার উইন্ডো জুন থেকে খুলে যায়। তার আগে ক্লাবগুলোকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানালে তারা ফুটবলারদের কী ভাবে সই করাবে? মোহনবাগানের বেশির ভাগ ফুটবলার যেমন লোনে খেলছে। তাই জুনের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত তো নিতেই হবে।’’ উল্লেখ্য, আইএসএল এবং আই লিগ মিলে গেলে দুই প্রধান যে এটিকের সঙ্গে একই টুনার্মেন্টে খেলার ছাড়পত্র পাবে, সেটা কিন্তু পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে সুনন্দ ধরের

কথাতেই। পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে, নীতা অম্বানি নিজে কলকাতার দুই প্রধানকে নতুন লিগে ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছেন। আইএমজি রিল্যায়ান্সের পক্ষে যুক্তি, দুই প্রধানের সমর্থকদের আবেগ ছাড়া আইএসএল বাঁচানো কঠিন। আজ না হোক কাল এই সংযুক্তি হবেই।

এ বছর পুরো অক্টোবর মাস ধরে জুনিয়র বিশ্বকাপ চলবে। আইএসএল এবং আই লিগ— দু’টি টুর্নামেন্ট আলাদা ভাবে আয়োজন করার সময়ও পাওয়া যাবে না। সে জন্যই ফেডারেশন কর্তারা চাইছেন, দু’টি টুর্নামেন্টকে মিশিয়ে দিতে। সুনন্দবাবু এ দিন স্বীকার করে নেন, ‘‘জুনিয়র বিশ্বকাপের জন্য আইএসএল এবং আই লিগ আলাদা ভাবে করার সময়ই পাওয়া যাবে না। তাই অন্য রাস্তা বের করতেই হবে।’’ ফেডারেশন সূত্রের খবর, ফিফাকে বুঝিয়ে দু’টি টুর্নামেন্ট এক করার দিকেই অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছেন এআইএফএফ কর্তারা। এমনকী আইএসএল-কে এক নম্বর টুর্নামেন্ট করার যাবতীয় ব্লু প্রিন্টও তৈরি। ফিফা এবং এএফসি-র যে নিয়ম ও শর্তাবলি রয়েছে, সেগুলো মেনেই ভারতীয় ফুটবলের রোডম্যাপ তৈরি করছে ফেডারেশন।