ডেঙ্গি ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপ আছে। এদের প্রত্যেকেরই বাসস্থান মশার শরীরের অন্দরমহল। এই ভাইরাস বহনকারী এডিস ইজিপ্টা মশার বংশ বৃদ্ধি হয় মূলত পরিষ্কার জলে।  স্ত্রী মশার শরীরে একবার ডেঙ্গির ভাইরাস প্রবেশ করলে তার পরের প্রজন্মের শরীরেও জীবাণু থেকে যায়। তাই ডেঙ্গি নিশ্চিহ্ণ করতে মশার বংশ ধ্বংস করতেই হবে। 

আরও পড়ুন: কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গি হতে পারে?