বিধানসভা ভোটের প্রচারে সিপিএম এবং আইপিএফটি-র সংঘর্ষে আহত হলেন দু’জন পুলিশ আধিকারিক। আইপিএফটি-র সমর্থকদের হঠাতে কাঁদানে গ্যাস ও লাঠি চালিয়েছে পুলিশ। তাতে আহত হয়েছেন ওই উপজাতি সংগঠনের দুই সমর্থক। শাসক দল সিপিএমের অবশ্য অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার দিন থেকেই রাজ্যে ফের হিংসাত্মক কাজকর্ম শুরু করেছে বিজেপি-আইপিএফটি জোট।

পুলিশ সূত্রের খবর, ত্রিপুরার টাকারজলা আসনের সিপিএম প্রাথী রমেন্দ্র দেববর্মার একটি সভা থেকে ফেরার পথে আজ অমরেন্দ্রনগরের মহরমপাড়ায় বাম সমর্থকদের সঙ্গে আইপিএফটি-র সমর্থকদের বচসা বাধে। দু’পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। গোলমাল থামাতে গিয়ে অমরেন্দ্রনগর পুলিশ আউটপোস্টের ইন-চার্জ ভরত দেববর্মা এবং মনির হালাম জখম হন। তাঁদের আগরতলা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মনিরের আঘাত গুরুতর। গোলমালের খবর পেয়ে আগরতলা থেকে ডিআইজি অরিন্দম নাথ, সিপাহিজলার এসপি-সহ পুলিশকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। সিপিএমের গাড়িগুলি অমরেন্দ্রনগর আউটপোস্টের সামনে  নিয়ে আসা হয়| তখনই শ’দুয়েক আইপিএফটি সমর্থক লাঠি, দা নিয়ে এসে গাড়িগুলি ঘিরে ফেলে। তাদের গাড়ি তল্লাশির দাবি পুলিশ না মানায় তারা ফের মারমুখী হয়ে ওঠে। লাঠি ও কাঁদানে গ্যাস চালায় পুলিশ। পরে আবার টাকারজলায় দু’দলের সংঘর্ষ বাধে। আহত হন সিপিএম সমর্থক।

সিপিএমের তরফে নির্বাচন কমিশনে ঘটনার বিবরণ জানানো হয়েছে। বিজেপি আবার রাজ্য পুলিশ এবং টিএসআরের ভূমিকা পক্ষপাতমূলক বলে অভিযোগ জানিয়েছে। আইপিএফটি-র নেতা নরেন্দ্র দেববর্মা বা মেবারকুমার জামাতিয়া অবশ্য ফোন ধরেননি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিদেশ সফরে যাওয়ার আগে দাবি করেছেন, ত্রিপুরায় তাঁর সভায় যাতে লোক না আসে, তার জন্য বাম সরকারের চেষ্টা সত্ত্বেও অভাবনীয় ভিড় হয়েছিল!