যা আশা করেছিলেন হার্দিক পটেল, তা-ই হয়েছে। গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনের আগে কুৎসা রটানোর লক্ষ্যে সেক্স টেপ প্রকাশিত হতে পারে বলে সপ্তাহখানেক আগেই দাবি করেছিলেন রাজ্যের পাতিদার আন্দোলনের মুখ হার্দিক। সোমবার গুজরাতের স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে ‘হার্দিক পটেলের সেক্স সিডি’ নামে একটি সেক্স-টেপ সম্প্রচারিত হয়। গত মে মাসে ওই ভিডিওটি কোনও একটি হোটেল রুমের গোপন ক্যামেরায় তোলা হয়েছে বলে একাংশের দাবি। চার মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজে হার্দিক পটেলের মতো দেখতে এক ব্যক্তির সঙ্গে এক তরুণীর ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের ছবি দেখা গিয়েছে। এই ভিডিওর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তবে তা যদি সত্যিও হয়, সে ক্ষেত্রে ‘কারও ব্যক্তিগত জীবনে উঁকিঝুঁকি মারা অনুচিত’ বলে হার্দিকের পাশে দাঁড়িয়েছেন গুজরাতের দলিত আন্দোলনের মুখ জিজ্ঞেস মেওয়ানি।

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে সেই ভিডিও দেখানোর পরেই সরগরম হয়ে ওঠে গুজরাত রাজনীতির আঙিনা। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে ৯ ও ১৪ ডিসেম্বর। আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের অন্যতম দুই ‘তুরুপের তাস’ হার্দিক পটেলজিজ্ঞেস মেওয়ানির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বিজেপি যে কোনও কৌশল নিতে পারে বলে কানাঘুষো চলছিল। হার্দিক প্রকাশ্যে সেই দাবিও করেছিলেন।

আরও পড়ুন

রসগোল্লা পেয়ে জিতে গেল বাংলা

আইনি জয় গঙ্গার, তৃতীয় লিঙ্গের প্রথম কনস্টেবল পেল রাজস্থান

ছাত্র সংগঠনকে ভিত করে হিমাচল প্রদেশে লাল পতাকা তুলছে সিপিএম

হিন্দুত্ববাদী নেতাকে খুন করে ফেসবুক পোস্ট করল খুনি!

মঙ্গলবার হার্দিকের সমর্থনে টুইট করেছেন জিজ্ঞেস। লিখেছেন, ‘‘যৌনতা নিয়ে লজ্জার কিছু নেই হার্দিকের। যৌনতা মৌলিক অধিকার। কোনও ব্যক্তির গোপনতার অধিকার খর্ব করার অধিকার কারও নেই।” 

হার্দিকের পক্ষে জিজ্ঞেস মুখ খুললেও এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজেপি নেতার দাবি, ‘‘ওই ভিডিওর সম্প্রচারে আমাদের (বিজেপি) কোনও হাত নেই।’’

বিজেপি-র এই দাবি খারিজ করে কংগ্রেসের মুখপাত্র মণীশ দোশী বলেন, “ভোটের আগে চাপে রয়েছে বিজেপি। রাজ্যে কংগ্রেসের কাছে জমি হারাচ্ছে তারা। হার্দিক, জিজ্ঞেসের মতো তরুণ নেতারাও আমাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। সে জন্যই হার্দিককে লক্ষ্য করে কাদা ছোড়া হচ্ছে।”