তা হলে কী গোপনে দেশ ছাড়ার পরিল্পনা করছেন পাপা’স অ্যাঞ্জেল? পুলিশের ধারণা অন্তত তেমনই। পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর এসেছে, সম্প্রতি ভারত-নেপাল সীমান্ত দিয়ে হানিপ্রীতের নেপালে পালিয়ে গিয়েছেন।

হানিপ্রীতের খোঁজে হরিয়ানা পুলিশের দুই অফিসার ইতিমধ্যেই ভারত-নেপাল সীমান্তে গৌরিফান্টায় পৌঁছন। সেখানকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘনশ্যাম চৌরাসিয়া পিটিআইকে জানান, নেপাল সীমান্ত থেকে পঞ্জাবের নম্বর প্লেট লাগানো একটি গাড়িও উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই গাড়ির সঙ্গে হানিপ্রীতের যোগ থাকতে পারে। তবে ঘনশ্যাম জানান, চিরুনি তল্লাশি চালানোর পরেও হানিপ্রীতকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার পরে হরিয়ানায় ফিরে গিয়েছেন ওই দুই অফিসার।

ধর্ষণের অপরাধে ‘বাবা’ রাম রহিম জেলে যাওয়ার পর থেকেই কার্যত ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছেন ‘বাবা’র পালিত কন্যা হানিপ্রীত। ইতিমধ্যেই তাঁর নামে জারি হয়েছে লুক-আউট নোটিস। ২৫ অগস্ট বাবার শাস্তি ঘোষণার পর রাজ্য জুড়ে তাণ্ডব চালানো থেকে শুরু করে বাবাকে নিয়ে পালানোর ছক তৈরি— সমস্ততেই প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল হানিপ্রীতের।

আরও পড়ুন: স্ত্রী হরজিৎকে নয়, জেলে হানিপ্রীতকেই দেখতে চান ‘বাবা’

তাঁকে খুঁজে পেতে দেশ জুড়ে কার্যত চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, বাসস্টপ ও রাজ্য থেকে বেরনোর অন্য চেক-পয়েন্টগুলোকে হানিপ্রীত সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে। এ দিন সে সূত্রে খবর পেয়েই নেপাল সীমান্তে পৌঁছেছিলেন হরিয়ানা পুলিশ। তবে এ বারও ফাঁকা হাতেই ফিরতে হল তাঁদের।