পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে পড়ে তা দখল করে নিক ভারতীয় সেনা। আর তা হলেই নাকি মিটে যাবে কাশ্মীরের মতো দীর্ঘমেয়াদী, জটিল সমস্যা। এমনই প্রেসক্রিপশন যোগগুরু রামদেবের। শনিবার বিহারের এক অনুষ্ঠানে তিনি বললেন, ‘‘ভারতের উচিত দ্রুত পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করে নেওয়া। এখানকার সব সমস্যার মূলে রয়েছে পাকিস্তান।’’ 

চম্পারণ সত্যাগ্রহের শতবর্ষ উপলক্ষে বিহারের গাঁধী ময়দানে তিন দিনের যোগ শিবিরের আয়োজন করেছে পতঞ্জলি। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাশ্মীর প্রসঙ্গে নওয়াজ শরিফ প্রশাসনকে নিশানা করেন রামদেব। কী করে উপত্যকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে, সেই পথও ‘বাতলে’ দিয়েছেন তিনি। যোগগুরুর দাওয়াই, ‘‘ভারতীয় সেনার উচিত সীমান্ত সংলগ্ন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সেনাঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে দেওয়া।’’ তাঁর দাবি, মাসুদ আজহার, হাফিজ সইদ, দাউদ ইব্রাহিমের মতো কুখ্যাতরাই ভারত ও পাকিস্তান সীমান্ত সমস্যার মূলে রয়েছে।

আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশের চেষ্টা উরিতে, খতম পাঁচ জঙ্গি

তবে, পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিকদের শান্তিকামী বলে  উল্লেখ করেছেন যোগগুরু। কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে কি না, তা জানতে চাওয়া হলে তাঁর মত— “আমরা হয়তো কখনও কখনও ভুলে যাই যে, আমাদের সেনা জওয়ানদেরও মানবাধিকার রয়েছে।” এর আগেও কাশ্মীর প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির কঠোর পদক্ষেপ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন যোগগুরু। আজাদ কাশ্মীর প্রসঙ্গে রামদেব বলেছিলেন, ‘মোদীর উচিত কাশ্মীর মুক্ত করতে দ্রুত অভিযান চালানো।’

শিবির থেকে যোগগুরু বলেন, যোগ পড়ুয়াদের মজবুত শরীর গঠন সাহায্য করে। একে কোনওভাবেই রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসাবে দেখা উচিত নয়।