বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-কে দিয়ে বিচারবিভাগীয় দুর্নীতির তদন্তের আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়ে দিল, ওই পিটিশনটি বিচারব্যবস্থার পক্ষে অবমাননাকর। যাঁরা ওই পিটিশনটি করেছিলেন, তাঁদের ভর্ৎসনাও করা হয়েছে। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, এ ব্যাপারে সিবিআই যে তদন্ত করেছে, তা যথেষ্ট।

যে দুর্নীতির অভিযোগের ঘটনার তদন্ত করেছে সিবিআই, তার কেন্দ্রে রয়েছেন ওড়িশা হাইকোর্টের এক প্রাক্তন বিচারপতি। অভিযোগ, ওড়িশা সরকার রাজ্যের একটি মেডিক্যাল কলেজকে যে নির্দেশে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করেছিল, তা বাতিল করার চেষ্টা করেছিলেন ওই প্রাক্তন বিচারপতি। এও অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টও যাতে মেডিক্যাল কলেজটির পক্ষে রায় দেয়, তার জন্য প্রবীণ বিচারপতিদের ঘুষ দেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছিলেন ওড়িশা হাইকোর্টের ওই প্রাক্তন বিচারপতি। অভিযোগের তদন্তে নেমে একটি এফআইআর দায়ের করে সিবিআই।

আরও পড়ুন- ধর্মনিরপেক্ষতার মতো বড় মিথ্যা আর হয় না: আদিত্যনাথ​

আরও পড়ুন- পাড়ায় পাড়ায় মাটির ভাঁড় ঝুলিয়ে দিয়েছে অমদাবাদ, থমথমে মুসলিম মহল্লা​

কিন্তু সিবিআইয়ের তদন্ত ঠিক ভাবে হয়নি বলে সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন করেছিলেন আইনজীবী কামিনী জায়সবাল। আর শীর্ষ আদালতে সেই পিটিশনের সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ।

দু’জনকেই ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ মঙ্গলবার বলেছে, ‘‘পিটিশনটি অবমাননাকর। তবে তার জন্য কোনও ব্যবস্থা নিতে চাই না। এই ধরনের পিটিশনে ভাবমূর্তি (বিচারব্যবস্থার) নষ্ট হয়েছে। বিচারব্যবস্থার মতো একটি মহৎ প্রতিষ্ঠান নিয়ে অকারণে সন্দেহ, সংশয় দেখা দিয়েছে।’’ প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বিরুদ্ধেও কেন তদন্ত করছে না সিবিআই, আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ তাঁর সওয়ালে সেই প্রশ্ন তোলায়, গতকালই তাঁকে ভর্ৎসনা করে শীর্ষ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ।