প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ডিজিটাল ভারতের লক্ষ্যে যখন দেশ জুড়ে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ, তখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেই উলোট পূরাণ। ডিজিটাল লেনদেন নয়, প্রতি বারের মতো এ বারেও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীদের জামানতের টাকা দিতে হল নগদেই।

রাষ্ট্রপতি পদে লড়তে ১৫ হাজার টাকা জমা দিতে হয় রিটার্নিং অফিসারের কাছে। মনোনয়ন জমা নেওয়ার সময় সঙ্গে থাকেন একজন ব্যাঙ্ককর্মীও। দেশের সমস্ত লেনদেনের উপর যেখানে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে, সেখানে এই ক্ষেত্রে নিয়মটা কিঞ্চিত আলাদা। নির্বাচনে লড়ার জন্য নির্দিষ্ট সমস্ত টাকাটাই দিতে হয় নগদে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমেও এই টাকা জমা দেওয়া যায়। তবে সে ক্ষেত্রেও টাকা জমা দিতে হয় নগদেই।

আরও পড়ুন: এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দলিত নেতা রামনাথ কোবিন্দ

এ বছর ১৫ জন রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তার মধ্যে যথাযথ নথি না থাকায় ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। সহমতের ভিত্তিতে প্রাথী বাছাই না হলে আগামী ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ২০ জুলাই হবে ভোট গণনা।

ক্ষমতায় এসেই ডিজিটাল ভারত নিয়ে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু। কালো টাকায় লাগাম পরাতে ও ডিজিটাল লেনদেনে জোর দিতে গত বছর নভেম্বর মাসে বাতিল করা হয়েছিল ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট। এই সিদ্ধান্তের জন্য বিভিন্ন মহলে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল এনডিএ সরকারকে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবস্থা কেন নেই তা নিয়ে অবশ্য কোনও উত্তর মেলেনি সরকারের তরফে।