নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে চরম জরুরি অবস্থা জারির অভিযোগ আনলেন বিরোধীরা। আজ তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনের বক্তৃতার সময়ে রাজ্যসভার টিভি স্থির হয়ে যায়। তা নিয়ে রাজ্যসভায় প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি।

ঘটনার সূত্রপাত দুপুর দু’টোয়। রাষ্ট্রপতির বক্তৃতা নিয়ে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যসভায় উত্তর দেওয়ার কথা ছিল বিকেল তিনটেয়। দুপুরে কংগ্রেস এবং সপা-র পরে বলতে ওঠেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি বলতে ওঠার পরই রাজ্যসভার টিভি-র ছবি স্থির হয়ে যায়। ডেরেকের বক্তব্যের প্রথম ছ’মিনিট দেখানো হয়নি ওই সংসদীয় চ্যানেলে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই সময়টুকুতেই তিনি নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখছিলেন। বিষয়টি নিয়ে পরে কংগ্রেসের লোকসভার নেতা গুলাম নবি আজাদের সঙ্গে কথা বলে তৃণমূল। ক্ষোভ জানায় কংগ্রেসও। সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার জন্য নতুন কৌশল নিয়েছে মোদী সরকার। এটি চরম জরুরি অবস্থা ছাড়া কিছুই নয়। রাজ্যসভা টিভি সূত্রের অবশ্য দাবি, যান্ত্রিক কারণেই এই গোলযোগ।

অমিত শাহের রাজ্যসভায় প্রথম বক্তৃতাকে কটাক্ষ করে ডেরেক আজ বলেছেন, ‘‘যিনি প্রথম বক্তৃতা দিলেন তাঁর কথা শোনবার জন্য উৎসুক ছিলাম। ভেবেছিলাম উনি রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কথা বলবেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত দেখলাম উনি লোকসভা ভোটের প্রথম বক্তৃতাটি দিলেন!’’

প্রধানমন্ত্রীর নাম না-করে তাঁকে আজ মহিষাসুরও বলতে ছাড়েননি তৃণমূল নেতা। বলেছেন, ‘‘মহিষাসুরের চরিত্র বিশ্লেষণ করে দেখেছি সে অশুভ শক্তি। সে ভাবত কোনও ব্যক্তি তাকে মারতে পারবে না। আর তাই ক্রমশ সে রূপ বদল করত এবং আত্মবিস্মৃত থাকত।
ফলে সমস্ত শুভ শক্তিকে একজোট হয়ে নারীরূপ নিতে হল মহিষাসুর বধের জন্য!’’