ভারতের বাজারে ২০০০ টাকার নোট চালুর কথা শুনেই মাথায় হাত দিয়েছিলেন এ বছর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার!

নোটবন্দির ঘোষণা শুনে প্রথমে বলেছিলেন ‘আশীর্বাদ’। তার পর সবটা শুনে বলেছিলেন, ‘সর্বনাশ, এ তো অভিশাপ!’

গত নভেম্বরের ৮ তারিখে যখন আচমকা নোটবন্দির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, শিকাগোয় সে খবর পেয়ে সে দিন প্রথমে উচ্ছসিত হয়ে উঠেছিলেন অধ্যাপক থেলার। সংবাদপত্রে প্রকাশিত নোটবন্দির একটি খবরের লিঙ্ক দিয়ে টুইট করে থেলার বলেছিলেন, ‘‘এটাই সেই নীতি যার কথা আমি বহু দিন ধরে বলে আসছি। যার ওপর অনেক দিন ধরেই আস্থা রেখে চলেছি। এটাই ক্যাশলেস অর্থনীতির প্রথম ধাপ। এতে দুর্নীতিও কমবে।’’

নোবেলজয়ী অধ্যাপক থেলারের সেই দু’টি টুইট

This is a policy I have long supported. First step toward cashless and good start on reducing corruption. https://t.co/KFBLIJSrLr

তার পরেই তাঁকে জানানো হয়, ভারতের বাজারে ২০০০ টাকার নোট ছেড়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই প্রথম। আর সে কথা শুনেই কার্যত ‘হায় হায়’ করে উঠেছিলেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিক্স ও বিহেভিয়্যারাল সায়েন্সের বিশিষ্ট অধ্যাপক থেলার।

আর সেই স্বগতোক্তি করেই থেমে থাকেননি, ফের টুইট করেছিলেন অধ্যাপক থেলার। ফের টুইটে লিখেছিলেন, ‘‘সর্বনাশ! এ তো অভিশাপ!’’

আরও পড়ুন- অযোধ্যায় রামের বিশাল মূর্তি গড়ার পথে যোগী আদিত্যনাথ​

আরও পড়ুন- প্রেমিকাই খোঁজ দিয়েছিল জঙ্গি নেতা খালিদের, বলছে পুলিশ​

দু’টি টুইটই এসেছিল টুইটার হ্যান্ডল '@R_Thaler' থেকে। সেগুলি সঠিক কি না, তা যাচাই করা সম্ভব না হলেও, নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সরকারি ঘোষণার সময় থেলারের ওই দু’টি টুইটও ট্যাগ করে দেওয়া হয়েছিল।

এ বার নোবেল পুরস্কারের জন্য যে নামগুলি বিবেচিত হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পূর্বতন গভর্নর রঘুরাম রাজনের নামও। অধুনা শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের বুথ স্কুলের ডিস্টিঙ্গুইজড সার্ভিস প্রফেসর অফ ফিনান্স রঘুরাম রাজন কয়েক দিন আগে বলেছেন, তিনি নোটবন্দির সিদ্ধান্ত কখনওই সমর্থন করেননি।