যশবন্ত সিনহার পর শত্রুঘ্ন সিনহা। অমিত শাহের ছেলে জয়ের ব্যবসা সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে এ বার মুখ খুললেন পটনা সাহিবের বিজেপি সাংসদ। যশবন্তের মতো তিনিও তুললেন লালকৃষ্ণ আডবাণীর প্রসঙ্গ। শত্রুঘ্নর কথায়, ‘‘কোনও অভিযোগে দলের বড় পদে থাকা কারও নাম জড়ালে তার তদন্ত হওয়া উচিত। ভুললে চলবে না, এমন পরিস্থিতিতে আডবাণীজিও পদত্যাগ করেছিলেন।’’ এর চেয়ে বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।

কয়েক দিন ধরেই দলের একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরব পটনার সাংসদ। ১৪ অক্টোবর পটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানোয় প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ তিনি। খবর রটেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতরই আমন্ত্রিতের তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দিয়েছে। শত্রুঘ্ন নিজে পটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, স্থানীয় সাংসদও। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের অনুষ্ঠানে ডাক পাননি বিজেপি সাংসদ। আমন্ত্রণপত্রে তাঁর নাম ছাপা হয়নি। সে দিন মোকামা এলাকায় কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন মোদী। মোকামা পটনা সংসদীয় এলাকার অন্তর্গত। কিন্তু সেখানেও নিমন্ত্রণ পাননি শত্রুঘ্ন। অথচ ডাক পেয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতনরাম মাঁঝি। তা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অতীতে বলিউড কাঁপানো অভিনেতা।