সকাল থেকে শুরু হয়েছিল অপেক্ষা। খবর এসেছিল আজই রায়ের নথি পৌঁছে যাবে দাসনা জেল কর্তৃপক্ষের হাতে। জেলের অন্ধকার থেকে আজই আলোয় ফিরবেন রাজেশ ও নূপুর তলোয়ার। কিন্তু অপেক্ষাই সার। বিকেল পর্যন্ত সেই নথি পৌঁছয়নি কারা কর্তৃপক্ষের হাতে। তাই আপাতত মুক্তি হচ্ছে না। সোমবারের আগে জেল থেকে বেরোতে পারবেন না চিকিৎসক দম্পতি।

আরও পড়ুন: 

মেয়েকে খুনে বেকসুর খালাস করেছে কোর্ট, শুনে কেঁদে ফেললেন নূপুর

তলোয়ার দম্পতির সঙ্গে দেখা করতে চান মেঘনা

২০০৮ সালের জোড়া খুন মামলায় গাজিয়াবাদের আদালত রাজেশ ও নূপুর তলোয়ারকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন তলোয়ার দম্পতি। গতকাল, বৃহস্পতিবারই সেই মামলার রায় দেয় ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। সেই রায়ের নথি পৌঁছনোর কথা ছিল আজ। সেই মতো রাজেশ এবং নূপুর তলোয়ারকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছিল গাজিয়াবাদের দাসনা জেল কর্তৃপক্ষ। নথি এলেই জেলের বাইরে পা রাখার কথা ছিল তলোয়ার দম্পতির। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বিচারকের স্বাক্ষরিত একটি নথি জেল কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছনোর পরেই মুক্তি পাবেন রাজেশ ও নূপুর। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত সেই নথি পৌঁছয়নি। আগামিকাল ও পরশু শনিবার ও রবিবার, সাপ্তাহিক ছুটি। তাই রাজেশ ও নূপুরের মুক্তি হতে হতে সোমবারের বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর থেকে গাজিয়াবাদের দাসনা কারাগারে বন্দি নয়ডার চিকিৎসক দম্পতি। মেয়ে আরুষি এবং পরিচারক হেমরাজ হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের যাবজ্জীবনের সাজা শুনিয়েছিল সিবিআই আদালত। ইলাহাবাদ হাইকোর্ট অবশ্য জানিয়েছে, রাজেশ ও নূপুর খুন করেছেন, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি।