অ্যালঝাইমারস ডিজিসের চিকিত্সার ক্ষেত্রে আলোর দিশা পেলেন বিজ্ঞানীরা। মানুষের উপর চালানো ক্লিনিক্যাল টেস্টে দেখা গিয়েছে, খাদ্যাভাস, ব্যায়াম, সমাজ এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে নিয়ম মতো মেলামেশা, ভাবের আদানপ্রদান করলে অ্যালঝাইমার-এর মতো একটি জটিল রোগ সারানো যেতে পারে। আরও স্পষ্ট ভাবে বলতে গেলে, এখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে, পুরোপুরি সারানো সম্ভব না হলেও মানুষের উপর অ্যালঝাইমার-এর ছোবল অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আরও পড়ুন- ছুঁচ না ফুটিয়েই শিশুদের দেওয়া যাবে যে কোনও ধরনের টিকা?

সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট অব অ্যালঝাইমার ডিজিজ রিসার্চ সেন্টার অ্যান্ড এজিং রিসার্চ সেন্টারের অধ্যাপক মিয়াকিভিপেল্টো এবং প্রিস্টার হাকানসনের নেতৃত্বে এক গবেষক দলের দু’বছর ধরে চালানো ক্লিনিক্যাল টেস্ট এই খবর জানিয়েছে। এই মুহূর্তে শুধু আমেরিকাকে ৬০ থেকে ৭৭ বছর বয়সের পুরুষ ও মহিলাদের ৩২ শতাংশই আক্রান্ত হন মানসিক রোগ ডেমনিশিয়ায় যার মূল কারণ এই অ্যালঝাইমার ডিজিজ। এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগী তাঁর স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন নিজেকে এবং তাঁর আত্মীয় স্বজনকে চেনার ক্ষমতাও। এই রোগের চিকিত্সার সঠিক পদ্ধতি কার্যকর না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে শুধু আমেরিকাতেই এই রোগের আক্রান্ত হবেন ১৩ কোটি মানুষ। আর বিশ্বে সেই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়াবে আরও ৬ গুণ বেশি। 

দেখুন ভিডিও

গবেষকরা জানিয়েছেন, তাঁরা এই ক্লিনিক্যাল টেস্টে যে পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন তার নাম ‘ফিনিশ গেরিয়াট্রিক ইন্টারভেনশন স্টাডি টু প্রিভেন্ট কগনিটিভ ইমপেয়ারমেন্ট অ্যান্ড ডিজেবিলিটি ’ বা ‘ফিঙ্গার’।