প্রথম লেগে লুই সুয়ারেজের একমাত্র গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ০-১এ হারিয়ে দিয়েছিল বার্সেলোনা। দ্বিতীয় লেগেও সেই জয় ধরে রাখলেন মেসিরা। এ বার ফল ২-০। যদিও মেসির পা থেকে গোল এল না। প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হওয়ার পর দুই গোলই আসে দ্বিতীয়ার্ধে। বার্সার হয়ে গোল দু’টি করেন ফিলিপ কুটিনহো ও রাকিটিচের।

ভালেন্সিয়ার প্রথম থেকেই লক্ষ্য ছিল মেসিকে আটকে দেওয়া। তাতে তারা সক্ষমও হয়েছিলেন। কিন্তু মেসি না পারলেও এই বার্সেলোনায় অনেকেই রয়েছেন যাঁরা গোল করে দলকে জেতাতে পারেন। প্রথম থেকে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে খেলা চলতে থাকে। ঘরের মাঠে শুরুটা মন্দ করেনি ভ্যালেন্সিয়া। যে কারণে প্রথমার্ধে গোলের মুখ খুলতে পারেনি বার্সেলোনা। আটকে ছিলেন মেসিও। যদিও পজেশনে অনেকটাই এগিয়ে ছিল বার্সা। বেশ কিছু গোলের সুযোগও নষ্ট হয়।

১৪ মিনিটে রডরিগোর শট বারে লেগে বেরিয়ে যায়। বিট হয়ে গিয়েছিলেন গোলকিপার। বার বাঁধা না হলে এগিয়ে যেতে পারত ভ্যালেন্সিয়া। ১৪ মিনিটে রডরিগোর শট বারে লাগার দু’মিনিটের মধ্যে ইনিয়েস্তার ডিফেন্সচেরা পাস কাজে লাগাতে ব্যর্থ বার্সার ফরোয়ার্ড লাইন। এর পর গোমসের সহজ সুযোগ নষ্ট সিলেসেনের অসাধারণ সেভ। সবই ছিল প্রথমার্ধের ম্যাচে। শুধু গোলটাই আসেনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধটা ছিল একদমই অন্যরকম।

এ ভাবেই পুরো ম্যাচে আটকে থাকলেন মেসি। ছবি: এএফপি।

৪৯ মিনিটেই গোলের মুখ খুলে ফেলে বার্সেলোনা। আর বার্সেলোনার হয়ে নিজের নামের পাশে প্রথম গোলও লিখে নিলেন ফিলিপ কুটিনহো।  বক্সের একপ্রান্ত থেকে লুই সুয়ারেজের মাপা ক্রস ধরে গোল করে যান কুটিনহো। এমনিতেই এগিয়ে ছিল বার্সা। অ্যাওয়ে গোল তুলে নিয়ে মানসিকভাবে অনেকটাই এগিয়ে যায়। যার ফল ৮২ মিনিটে ২-০তে এগিয়ে যাওয়া।

আরও পড়ুন
আমনার পরামর্শে ইস্টবেঙ্গলে নতুন বিদেশি

গ্যাব্রিয়েলকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে গোলের বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন সুয়ারেজ। গোল করতে ভুল করেননি রাকিটিচ। এখান থেকে আর ফেরার কোনও জায়গা ছিল না ভ্যালেন্সিয়ার। দুই লেগের ফল মিলে ৩-০তে এগিয়ে গেল বার্সেলোনা। এ বার কোপা দেল রে-র ফাইনালে সেভিয়ার মুখোমুখি হতে হবে বার্সেলোনাকে।