মহেন্দ্র সিংহ ধোনির সামনেই ঝাড়খণ্ডকে তাদের ঘরের মাঠে ছ’উইকেটে হারাল বাংলা। পূর্বাঞ্চলীয় পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচেও ওপেনারদের গড়া ১৩০ রানের পার্টনারশিপই জেতাল বাংলাকে। ওড়িশার পর ঝাড়খণ্ডকে হারিয়ে মূল পর্বের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন মনোজ তিওয়ারিরা।

রাঁচীর জেএসসিএ স্টেডিয়ামে শুক্রবার টস জিতেছিল ঝাড়খণ্ড। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ন’উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান করেন বরুণ অ্যারনরা। ঝাড়খণ্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন ইশাঙ্ক জাগ্গি(৭২)। তাঁর সঙ্গে ১১৮ রানের পার্টনারশিপ খেলেছেন ওপেনার ঈশান কিষেন(৪৯)। বাংলার হয়ে দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন অশোক ডিন্ডা ও মনোজ তিওয়ারি। কণিষ্ক শেঠ, সায়ন ঘোষ ও বিবেক সিংহ পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে আরও একবার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের উদাহরণ দিলেন দুই বাঁ-হাতি বঙ্গ ওপেনার। চল্লিশ বলে ৬৮ রান করলেন বিবেক। একচল্লিশ বলে ৫৮ রান করে আরও একবার বাংলাকে জেতার আশা দেখালেন শ্রীবৎস গোস্বামী। এ ছাড়া ১৮ বলে ২৬ রান করেছেন দলের সহ-অধিনায়ক সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। মনোজ রান না পেলেও দলের ওপেনাররাই জেতার কাজটি করে দিয়েছেন বলেই দাবি অধিনায়কের। ম্যাচ শেষে মনোজ বলেন, ‘‘জয়ের লক্ষ্যটা বেশ কঠিন ছিল। ওভার প্রতি আট রান করা কোনও উইকেটেই সহজ নয়। শুরুটা ওরা ভাল করলেও পরের দিকে বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলে। সব শেষে আরও একটি ভাল ক্রিকেট দেখা গেল।’’

মহেন্দ্র সিংহ ধোনির উপস্থিতি কি কোনও বাড়তি চাপ দিয়েছে বাংলাকে? জবাবে মনোজ বলেন, ‘‘ওঁর উপস্থিতি অবশ্যই একটা বড় ফ্যাক্টর আমাদের কাছে। ধোনি ভাইয়ে টিপস পেয়ে ওরা ভাল ক্রিকেট খেলেছে। তবে পরিকল্পনার পাশাপাশি মাঠেও তার প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’’

গত দু’টি ম্যাচে ব্যাট হাতে পারফর্ম না করলেও উইকেট পাচ্ছেন মনোজ। টি-টোয়েন্টিতে হঠাৎ এ ধরনের পারফরম্যান্সের কারণ কি? মনোজ বলেন, ‘‘বোলিং দেখেই বুঝতে পারবেন কি রকম অনুশীলন করেছি। লেংথ বদল করে বোলিং করছি। তাই হয়তো সাফল্য পাচ্ছি।’’