টেনিস দুনিয়ার ফ্যাব ফোরের মধ্যে তিন জনেরই অর্থাৎ রাফায়েল নাদাল, অ্যান্ডি মারে এবং   নোভাক জকোভিচের অস্ট্রেলিয়া ওপেনে নামা নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমশ বাড়ছে। তবে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শুরু হওয়ার আগে গত বারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরার হপম্যান কাপে দেখিয়ে দিলেন তিনি আছেন দুরন্ত ছন্দেই।

পার‌্থে এই দলগত ইভেন্ট দিয়েই ফেডেরারের নতুন মরসুমের প্রস্তুতি শুরু হয়। মঙ্গলবার ফেডেরার সেই টুর্নামেন্টে রেকর্ড দর্শকদের সামনে ৬-৩, ৭-৬ (৮) উড়িয়ে দেন ক্যারেন কাশানভকে। যে জয়ের ফলে সুইৎজারল্যান্ড ১-০ এগিয়ে যায়।

৩৬ বছর বয়সি সুইস মহাতারকা অবশ্য তাঁর চেয়ে ১৫ বছরের জুনিয়র কাশানভের কাছে প্রথম গেম খুইয়েছিলেন। অবশ্য পরের গেমেই পাল্টা রুশ খেলোয়াড়ের সার্ভিস ভেঙে দেন তিনি। ফেডেরারের সঙ্গে দ্বিতীয় সেটে যদিও ব্যাকহ্যান্ড উইনারে পাল্লা দেন কাশানভ। ফেডেরারকে টাইব্রেকারের আগেও একটা সেট পয়েন্ট বাঁচাতে হয়। এর পরে তৃতীয় ম্যাচ পয়েন্টে জয় নিশ্চিত করে ফেলেন সুইস মহাতারকা।

আরও পড়ুন: ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ফ্রিডম সিরিজ নিয়ে ভিডিও

ম্যাচ জিতে ফেডেরার বলেন, ‘‘পরিশ্রম করে জিততে হল। কখনও কখনও অভিজ্ঞতা অনেক সাহায্য করে।’’ জুনিয়র প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পুরনো দিনের কথাও মনে পড়ে যাচ্ছিল ফে়ডেরারের। ‘‘এ রকম খোলা মনে র‌্যাকেট সুইং করতে পেরে, কাশানভের মতো জুনিয়র প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ল়ড়াই করে দারুণ লাগছে। আমার পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল,’’ প্রায় ১৩,৯৪৩ জন দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচ জিতে বলেন ফেডেরার। যে সংখ্যা গত বার ফেডেরারেরই একটি ম্যাচের দর্শকসংখ্যাকে ছাপিয়ে গিয়েছে। ভক্তদের এই মাতামাতিই যে তাঁকে উজ্জীবিত করছে সেটা জানিয়ে ফেডেরার বলেন, ‘‘এই ব্যাপারটাই তো আমায় ট্যুরে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেবে। স্টেডিয়ামের বাইরের দিকের কোর্টে যদি আমায় খেলতে হয় আর যদি দর্শকাসন পুরো ভর্তি না হয়, তা হলে আবেগটা কিছুটা দমে যায়।’’