চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে বিপর্যস্ত হওয়ার পরে বিরাট কোহালি স্বীকার করে নিচ্ছেন, রবিবার তাঁরা সব বিভাগেই পরাস্ত হয়েছেন প্রতিপক্ষের কাছে।

ম্যাচের পরে টিভি-তে ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘‘আমরা আজ সব বিভাগেই হেরে গিয়েছি পাকিস্তানের কাছে। এই জন্যই কোনও টিমকে হালকা ভাবে নেওয়ার প্রশ্ন থাকে না।’’

কোহালি বলছেন, ‘‘পাকিস্তানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। ওদের কাছে একটা চমকপ্রদ টুর্নামেন্ট গেল এটা। যে ভাবে ওরা ঘুরে দাঁড়াল, তাতে বোঝা যাচ্ছে ওদের ক্রিকেটে কত প্রতিভা আছে।’’

প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হারের পরে পাকিস্তানের এই পুনরুত্থানের পিছনে রয়েছে তাঁদের দুই তরুণ ক্রিকেটার। ওপেনার ফখর জমান এবং পেসার হাসান আলি। ফাইনালে ম্যাচের সেরা হলেন ফখর আর টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়ার পাশাপাশি হাসান হলেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেরা ক্রিকেটারও।

নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে বিরাট বলছেন, ‘‘আমরা আর কয়েকটা উইকেট তোলার বল করতে পারলে ভাল হতো। আমরা চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু হল না। বল হাতেও ওরা দারুণ আগ্রাসী ছিল।’’

আরও পড়ুন: জিতেই দাবি, ক্রিকেট ফিরুক পাকিস্তানে

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে, বুমরা-র নো বল নিয়ে আপনি কী বলবেন? যে বলে ফখর ৩ রানে আউট হয়ে জীবন পান। বিরাট বলছেন, ‘‘মাঝে মাঝে ছোট ছোট ভুল বিরাট হয়ে যায়। তবে এটা মনে রাখবেন, আমরা একটা ক্রিকেট ম্যাচ হেরেছি। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’’

পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আমেদ বলে গেলেন, ‘‘গ্রুপে ভারতের কাছে হেরে যাওয়ার পরে আমি ছেলেদের বলেছিলাম, টুর্নামেন্ট কিন্তু শেষ হয়ে যায়নি। আমাদের প্রতিটা ম্যাচ এ বার নকআউট ধরে খেলতে হবে। তার পর থেকে আমরা সব ম্যাচে ভাল খেলেছি। ফাইনালেও দারুণ খেলে চ্যাম্পিয়ন হলাম।’’

ফখরকে নিয়ে তাঁর অধিনায়ক বলছেন, ‘‘ফখর দুর্দান্ত প্লেয়ার। এটা ওর প্রথম আইসিসি টুর্নামেন্ট ছিল। আর সেখানেই ও এত ভাল খেলে দিল। পাকিস্তান ক্রিকেটের সম্পদ হয়ে উঠবে ও।’’ বোলারদের কথাও বলেছেন তিনি। ‘‘আমির, জুনেইদ, হাসান, হাফিজ— সবাই খুব ভাল বল করে গেল। আমাদের তরুণ টিম। এই জয়ের পিছনে সবার কৃতিত্ব আছে,’’ বলেন সরফরাজ।