ফেসবুকে শুধু নির্মোহ একটি সদুপদেশ। কিন্তু সেই সদুপদেশেই স্পষ্ট বোলপুরের তৃণমূল সাংসদের লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংসদের অধিবেশন কক্ষে বসেই বোলপুরের তৃণমূল সাংসদ নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘‘ক্ষমতায় থাকাকালীন ক্ষমতার দম্ভ দেখানো বা ক্ষমতার অপব্যবহার করার আগে একটু ভাবুন। কারণ, একদিন আপনিও ‘ভারতী ঘোষ’ হতে পারেন।’’

অনুপমের এই সতর্কবাণীর লক্ষ্য কি বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল? তাঁর ‘দম্ভ’, ক্ষমতার অপব্যবহার দেখেই কি এমন মন্তব্য? হেসে অনুপমের জবাব, ‘‘আমার জেলার সভাপতির মাতব্বরি তো সর্বজনবিদিত। শুধু তাঁকে কেন, যে কোনও রাজনীতিক, আমলারই এই পরিণতি বুঝে সাবধান থাকা প্রয়োজন।’’ সাংসদ হওয়ার পর থেকে জেলার কোনও অনুষ্ঠানে তিনি ডাক পান না বলে অভিযোগ অনুপমের। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘স্নেহাচ্ছায়া’য় অনুব্রত বীরভূমের শেষকথা বলে সকলের জানা। তাঁর   কর্তৃত্বই মেনে চলতে হয় পুলিশ-প্রশাসনকেও বলে অভিযোগ। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতীও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘স্নেহধন্য’ ছিলেন। অনুপমের কথায়, ‘‘ভারতীও তো জঙ্গলমহলের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন! কী হল এখন!’’  অনুপমের কাণ্ড কারখানা গুরুত্ব দিতে চান না অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর কথায়,‘‘ এ সবের কোনও জবাব না দেওয়ায় ভাল। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সব দেখছেন।’’