আগেই অভিযোগটা তুলেছিলেন। তবে, তা সংবাদমাধ্যমের সামনে। এ বার রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি পুলিশের কাছেই ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করলেন বালুরঘাটের সেই তরুণী। মঙ্গলবার বালুরঘাট থানায় এফআইআর করেছেন তিনি।

বালুরঘাটের বাসিন্দা ওই তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছেন ঋতব্রত। কিন্তু, বার বার বিয়ের কথা বলা সত্ত্বেও তাতে রাজি নন সাংসদ। যদিও এ সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন ঋতব্রত।

গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে গতকাল সোমবার। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেন ওই তরুণী। পেশায় সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ওই তরুণীর আরও দাবি ছিল, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তাঁকে লোক দিয়ে হুমকি দেন সাংসদ। এমনকী, গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখ বন্ধ রাখার জন্য তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আড়াই লক্ষ টাকাও পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ-সহ  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন

অযোধ্যায় রামের বিশাল মূর্তি গড়ার পথে যোগী আদিত্যনাথ

সরছে নিম্নচাপ, সূর্যের মুখ দেখল কলকাতা

ডাকাতি ছেড়ে চা বেচছেন আরামবাগের পিন্টু

এ সব অভিযোগ উড়িয়ে ঋতব্রতের পাল্টা দাবি ছিল, গত বছর পরিচয়ের পর দুরারোগ্য ব্যাধির নাম করে তাঁর কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা সাহায্য আদায় করে নিয়েছেন ওই তরুণী। কিন্তু, সম্প্রতি তরুণীর অভিসন্ধি বুঝতে পেরে অর্থসাহায্য বন্ধ করে দেন তিনি। সাংসদের দাবি, এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনেন ওই তরুণী। এর পিছনে রাজনীতি খেলাও রয়েছে বলে দাবি তোলেন ঋতব্রত।

গত মাসেই দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে সিপিএম থেকে ঋতব্রতকে বহিষ্কার করেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কিন্তু, এর পরে ফের বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ‘বান্ধবী’র সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসে। এ বার ধর্ষণের অভিযোগে  বিদ্ধ হলেন ঋতব্রত।