দার্জিলিঙের ৪টি পুরসভার পানীয় জলের সমস্যা ও নিকাশির হাল ফেরাতে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করে বাড়তি বরাদ্দ চাইলেন জিটিএয়ের কেয়ারটেকার বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান অনীত থাপা। মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতায় পুরমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন অনীত। সেখানে তিনি শীতের মরসুমে পাহাড়ি ঝোরা শুকিয়ে যাওয়ায় পানীয় জলের কষ্ট কোন পুর এলাকায় কতটা তীব্র হয় তার বিবরণ দেন। উপরন্তু, দার্জিলিঙে জঞ্জাল অপসারণের বিজ্ঞানসম্মত বন্দোবস্ত ও পরিকাঠামো না থাকায় দূষণ বাড়ছে বলেও জানান তিনি। তা শোনার পরে পুরমন্ত্রী পাহাড়ের ৪ পুরসভার পানীয় জল ও জঞ্জাল অপসারণের পরিকাঠামো উন্নতির জন্য বাড়তি বরাদ্দের আশ্বাস দেন।

এদিন বিকেলে অনীত বলেন, ‘‘চলতি মাসেই পাহাড়ের সব কটি পুরসভার জন্য বাড়তি বরাদ্দ দেবে পুর দফতর। এমন আশ্বাস দিয়েছেন পুরমন্ত্রী।’’ সেই সঙ্গে পুরসভায় নিযুক্ত অস্থায়ী কর্মচারিদের স্থায়ীকরণের বিষয়েও পুরমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ওই আলোচনায় পুর এলাকায় বেআইনি নির্মাণ যাতে মাথা চাড়া না দেয় সে দিকে নজর রাখার জন্য জিটিএকে পরামর্শ দিয়েছেন পুরমন্ত্রী। অতীতে বিমল গুরুঙ্গ জিটিএ-এর চিফ থাকাকালীন পাহাড়ের বেশ কয়েকটি পুর এলাকায় ৩০টির বেশি অবৈধ নির্মাণ হয় বলে অবিযোগ রয়েছে। ৩টি নির্মাণ ইতিমধ্যে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নোটিস দিয়েছে প্রশাসন।

জিটিএ সূত্রের খবর, সোমবার কেয়ারটেকার বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে দেখা করে চা বাগানে বন্‌ধের সময়ে বকেয়া রেশন বিলির অনুরোধ জানান। জিটিএ সূত্রেই দাবি, জ্যোতিপ্রিয়বাবু আগাম ঘোষণা করে প্রতিটি বাগানে বকেয়া রেশন বিলির আশ্বাস দিয়েছেন।