এই মুহূর্তে বাংলার মতো সরকারি চিকিৎসা পরিষেবা আর কোথাও নেই বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি শুক্রবার হরিশ পার্কের সভা মঞ্চ থেকে হাসপাতালের সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনারও তীব্র নিন্দা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ দিন ভবানীপুরের হরিশ পার্কে বুস্টার পাম্পিং স্টেশনের উদ্বোধনে এসে বিরোধীদের এক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এ দিন বারবার জল অপচয় সম্বন্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার কথাও বলেন মমতা। ব্যবহৃত জল কী ভাবে পুর্নব্যবহার করা যায় সে বিষয়েও ভাবনা চিন্তা করার নির্দেশ দেন পুরসভাকে।

এখনও কলকাতার বেশিরভাগ অঞ্চলেই গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ জল তোলা হয়। ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার জন্যই নতুন এই পাম্পিং স্টেশনটি তৈরি হয়েছে। এই বুস্টার পাম্পিং স্টেশনটি কর্মক্ষম হলে উপকৃত হবে ভবানিপুরের ৭১ ও ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড।

আরও পড়ুন: থমথমে এলাকা, আতঙ্কের রেশ হাসপাতালেও

অন্যদিকে, কিশোরী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গত বুধবার সিএমআরআই হাসপাতালের ঘটনা বাড়াবাড়ি হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মমতা। খুব শীঘ্রই সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করার কথাও বলেন তিনি। কোনও কিছু নষ্ট করা সহজ, কিন্তু তা ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ, ফলে সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

তবে এর সঙ্গেই আজ নোট বাতিলের ১০১তম দিনে কেন্দ্রের নোট বাতিলের সিন্ধান্তকেও এক হাত নিতে ছাড়েননি তিনি। নোট বাতিল আসলে বিজেপির কালো নাটা সাদা করার একটা সুপরিকল্পিত পদ্ধতি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে বামেদের ‘ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘এই স্লোগানকে এ বার কবর দিতে হবে।’