হাইকোর্টের সিঙ্গল এবং ডিভিশন বেঞ্চ অনুমতি দিয়েছিল। তার পরেও স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে কলকাতার রাজপথে রাজ্য বিজেপি-র যুব মোর্চার ‘প্রতিরোধ সঙ্কল্প যাত্রা’ ঘিরে ধুন্ধুমার বাধল!

যুব মোর্চার কর্মসূচিতে এ দিন ইট, লাঠি নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হাইকোর্ট নিযুক্ত স্পেশাল অফিসার রবিশঙ্কর দত্তের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। উত্তর কলকাতার সিমলায় বিবেকানন্দের বাড়িতেও বিজেপি নেতাদের যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। প্রতিবাদে বিজেপি নেতৃত্ব যাত্রা স্থগিত করে মেয়ো রোডে গাঁধী মূর্তির নীচে মৌনী অবস্থানে বসেন। পরে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে দেখা করে তৃণমূল এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ জানান তাঁরা। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, দলের কর্মীদের উপরে আক্রমণের প্রতিবাদে শহরে আসন্ন বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনে আসার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী। যদিও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে সফর বাতিলের এখনও কোনও খবর নেই।

দিঘা থেকে বৃহস্পতিবার মোটরবাইক মিছিল শুরু করে যুব মোর্চার কর্মীরা ওই রাতেই কলকাতায় পৌঁছে পাথুরিয়াঘাটার একটি ধর্মশালায় ওঠেন। সেই ধর্মশালার ভিতরে ঢুকে এ দিন সকালে যুব মোর্চার কয়েক জন কর্মীকে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কিছু ক্ষণ পরে কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিতের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। ধুন্ধুমার হয় জোড়াবাগান এলাকায়। এর পর বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ দিলীপবাবু, মুকুল রায়েরা বিজেপি রাজ্য দফতরের কাছে যাত্রা শুরু করান। মহম্মদ আলি পার্কের কাছে সেই মোটরবাইক মিছিলে ইট-লাঠি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক দল লোক। তখনই রবিশঙ্করবাবুর গাড়ি ভাঙচুর হয়। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি দেবজিৎ সরকার, সংগঠনের এক নেত্রী সীমা সিংহ-সহ বেশ কয়েক জন আহত হন। তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।