a

পেশোয়ার কী আমীর

চাটুজ্যেদের রকে বসে আমি একটা পাকা আমকে কায়দা করতে চেষ্টা করছিলুম। কিন্তু বেশিক্ষণ খেতে হল না। গোটা চারেক কামড় দিয়েই ফেলে দিতে হল — অ্যায়সা টক। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্পটি পুনঃপ্রকাশিত হল।


a

খাসমহলের আমচর্চা

আমাদের ভোজ-রীতির প্রতি গ্রাসের মধ্যে গেঁড়ে বসা পুরুষতন্ত্রের কড়া গিঁটও কিন্তু আমের বেলায় খানিক ঢিলে হয়েছে। লিখছেন ঋজু বসু


a

আমের মৌতাতে সাহিত্যের স্মৃতিবিলাস

বাংলা সাহিত্যে যেমন আম নিয়ে গল্পের শেষ নেই, তেমনই লোক-ইতিহাসেও। ফিরে দেখলেন আশিস পাঠক


a

আমাবলি

হিমসাগর-ল্যাংড়া বাজারে আসার আগে গোলাপখাস যেন পাইলট কার। লিখছেন রজতেন্দ্র মুখোপাধ্যায়


a

নবাব নেই, তবু নবাবি আম-গল্প আজও সুস্বাদু

তুলোর দস্তানা পরে তুলোর বিছানায় শুইয়ে এ পাশ-ও পাশ করানো হত তাদের। খোসা ছাড়ানো হত রুপোর ছুরি দিয়ে। লিখছেন অনল আবেদিন


a

নাম দিয়ে যায় চেনা

গরম মানেই আম-জনতার সময়। ফলের রাজার স্বাদে এ মরসুমের জন্য মাতোয়ারা হওয়ার আগে ছ’রকম বিখ্যাত আমের সঙ্গে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে আনন্দবাজার। ছবি তুলেছেন মনোজ মুখোপাধ্যায়।


1

হেঁসেলের উইকেটে আম-মাংসের যুগলবন্দি

বোশেখ-জষ্ঠির ভ্যাপসা গরমকে বুড়োআঙুল দেখিয়ে খাদ্যরসিক বাঙালি কিন্তু আমেই মজে আছে। পাকা হোক বা কাঁচা— গরমের সঙ্গে আমের হৃদ্যতা গড়ে তুলেছে সেই বাঙালিই। দৈনন্দিন আমিষ-নিরামিষ রান্নাতেও সে আমকে আমদানি করেছে নিখুঁত ভাবে। তেমনই কিছু রেসিপির সন্ধান দিলেন শেফ জয়মাল্য বন্দ্যোপাধ্যায়।


a

ম্যাঙ্গো, মিষ্টি, মস্তি

মহারাজা তোমাকে সেলাম! গরমে ধুঁকতে ধুঁকতে আম-বাঙালির এখন এটাই স্লোগান। কেননা, প্রজাদের দর্শন দিতে বাজারে যে এসেছে ফলের রাজা আম! তাকে নিয়ে হুড়োহুড়ি এখন সর্ব দিকে। রসনাপঞ্জীর বিভিন্ন আঙ্গিকে তাকে ঘিরে এখন উন্মাদনার শেষ নেই। শেষপাতের মিষ্টিমুখেও সে রয়েছে। আমের সেই আয়োজনে মজলে গরমকেও ভালবাসতে ইচ্ছে করবে। তেমনই কিছু রসালো রেসিপির সন্ধান দিলেন ‘বলরাম মল্লিক’-এর সুদীপ মল্লিক।