শ্বশুরবাড়িতেই একঘরে হয়ে দিন কাটাচ্ছি

আমার বাড়ি নদিয়ায়। এক ছেলে আর এক মেয়ে নিয়ে ছিল সংসার। স্বামী সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করে। জানতামই না, আমার শরীরে বাসা বেঁধেছে এইচআইভি ভাইরাস। তিন বছর আগে আমার টিবি হয়। যমে-মানুষে টানাটানি চলে। তখন পরীক্ষা করতে গিয়ে জানা যায়, আমি এডস আক্রান্ত।রিমা হালদার (নাম পরিবর্তিত)


মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করি

২০০০ সালে আমার ইনফেকশন হয়েছিল। কিন্তু কিছুতেই কমছিল না। তখন এলাইজা টেস্ট করে জানা যায়, আমার শরীরে এইচআইভি ভাইরাস রয়েছে। প্রথম দিকে আমার স্ত্রীর রক্তে ভাইরাস মেলেনি। সে এক নিদারুণ অবস্থা।


আতঙ্ক প্রবল, তবু কন্ডোম বিলিতেও পিছিয়ে রাজ্য

সরকারি প্রচারে কোনও খামতি নেই। টেলিভিশন, রেডিও, খবরের কাগজ বা রাস্তার ধারের বিশাল সাইনবোর্ডে সরকারি তরফে লেখা হচ্ছে, অসুরক্ষিত যৌন সংসর্গ থেকে বাঁচতে কন্ডোম ব্যবহারের কথা। কিন্তু বাস্তবে এ রাজ্যে সরকারি স্তরে সেই কন্ডোমের সরবরাহ কতটা?


এইচআইভি সংক্রমণ রুখতে মাথায় রাখুন এগুলো

অ্যাকিউট ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম। অর্থাত্ শরীর যখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলে। আপনার রক্তে যদি এইচআইভি সংক্রমণ হয় তবে শরীর এক সময় এই অবস্থায় পৌঁছে যেতে পারে।


সুস্থ সন্তান পেতে শুরুতেই এইচআইভি টেস্ট

সন্তান আনার পরিকল্পনা করার শুরুতেই এইচআইভি টেস্ট করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। যদি আপনি এইচআইভি পজিটিভ হন তাহলে কিন্তু এমটিসিটি-র ঝুঁকি রয়েছে। অর্থাত্ আপনার সন্তানের শরীরে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।


এডস মানেই মৃত্যু নয়

গত জুলাইয়ে বিষ্ণুপুরের একটি স্কুলের ক্লাস ওয়ানের একটি বাচ্চাকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। বাচ্চাটির অপরাধ, সে এইচআইভি পজিটিভ। বাবা-মা এইচআইভি পজিটিভ হওয়ায় বাচ্চাটির শরীরেও এইচআইভি বাসা বেধেছে। সে কথা জানাজানি হয়ে যাওয়ায় অন্য অভিভাবকেরা আপত্তি করেন। যার ফলে বাচ্চাটির স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ পাঁচ মাস লড়াইয়ের পর কয়েক দিন আগে থেকে বাচ্চাটি আবার স্কুলে যেতে পারছে।