Anandabazar Patrika Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading Newspaper

চাবি নেই, স্কুল চলল গাছতলায়

চলছে ক্লাস। নিজস্ব চিত্র

প্রধান শিক্ষিকার বাড়ি থেকে চাবি এসে না পৌঁছনোয় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত গাছতলা ও স্কুলের বারান্দাতেই চলল পঠনপাঠন। বৃহস্পতিবার পূর্বস্থলী সাবিত্রী বালিকা বিদ্যালয়ের ঘটনা। স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি আশিসকুমার দে প্রধান শিক্ষিকাকে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠিয়েছেন। যদিও প্রধান শিক্ষিকা মৌসুমী পালের দাবি, পুরোটাই পরিচালন সমিতি এবং কয়েকজন শিক্ষকের ষড়যন্ত্র।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই এই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে স্কুল কমিটি ও অন্য শিক্ষিকাদের নানা বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। প্রশাসনের নানা জায়গায় দু’তরফ একাধিক অভিযোগও করেছেন। মাস চারেক ধরে অন্য এক জন দায়িত্বে থাকার পরে সম্প্রতি উচ্চ আদালতের নির্দেশে মৌসুমিদেবী ফের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কাজে যোগ দেন। শিক্ষিকাদের দাবি, এ দিন স্কুলে এসে তাঁরা দেখেন ক্লাসঘর বন্ধ। ১১টা বেজে গেলেও ঘরের চাবি খোলা হয়নি। বাধ্য হয়ে বারান্দা, গাছতলায় পড়ুয়াদের বসিয়ে ক্লাস নিতে শুরু করেন তাঁরা। ফিরে যান মিড-ডে মিলের কর্মীরাও। পরে ১১টা ৪০ নাগাদ চাবি আসে। ওই স্কুলের এক শিক্ষিকা মিতালী গায়েন বলেন, ‘‘প্রধান শিক্ষিকা এলাকারই বাসিন্দা। উনি স্কুলে আসেননি। না আসার কথা আগে জানিয়েও দেননি। তা ছাড়া কথায় কথায় উনি মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে দেন বলে ওঁর বাড়ি থেকে কেউ চাবি আনার সাহস পায়নি।’’ ঘটনার নিন্দা করে বেশ কিছু শিক্ষিকা পরিচালন সমিতির সভাপতিকে একটি চিঠি পাঠান। এরপরই আশিসবাবু ওই শো-কজ নোটিস দেন।

যদিও মৌসুমীদেবীর বক্তব্য, ‘‘আমি কাজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ফের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আশিসবাবু এবং স্কুলের কিছু শিক্ষিকা এতে জড়িত। বৃহস্পতিবার যে ব্যক্তিগত কিছু কাজে বর্ধমান যাব তা স্কুলের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মীকে জানিয়ে এসেছিলাম এবং তাঁকে চাবি রেখে দেওয়ার কথাও বলেছিলাম। কিন্তু তিনি চাবি নিতে চাননি। এ দিন স্কুল পরিদর্শক ফোন করলে দ্রুত চাবি পাঠিয়ে দিই।’’


Anandabazar Patrika Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading Newspaper