Anandabazar Patrika Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading Newspaper

জোরে পা চালালে নড়ে নড়বড়ে সেতু, তা-ও গাড়ি পারাপার

বিপদ: স্তম্ভ ভেঙে হেলেছে সেতু। নিজস্ব চিত্র

যে কোনও সময় ভেঙে পড়ার ভয় রয়েছে। তা-ও গত সাত বছরে প্রশাসন সেতু সংস্কারে উদ্যোগী হয়নি বলে অভিযোগ। ওড়িশা সীমানাবর্তী হেলে পড়া সেতু দিয়েই সাইকেলে ও বাইকে যাতায়াত করেন আট-দশটি গ্রামের হাজার খানেক বাসিন্দা।  

ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের আড়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলডিহা থেকে নাগরিপদা যাওয়ার মাঝে মুরলি খালের উপর এই সেতুর কাজ শেষ হয়েছে নব্বইয়ের দশকে। নির্মাণ জনিত ত্রুটিতে বর্ষায় জলের তোড়ে সেতুর স্তম্ভগুলির চারপাশের মাটি ধুয়ে গিয়েছে। হেলে গিয়েছে কয়েকটি স্তম্ভ। ঝুঁকি নিয়েই অটো-ট্রেকার, মালবাহী ট্র্যাক্টর ও ছোট লরি যাতায়াত করে। আর গাড়ি গেলেই কাঁপে সেতু। 

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ‘বিপজ্জনক’ সেতুটির পুনর্নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেও সেতুটির হাল ফেরেনি। এখন আবার আড়রা গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছে বিজেপি। নাগরিপদা বুথ থেকে নির্বাচিত বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য হীরামতি শী জানালেন, কুলডিহা থেকে নাগরিপাদা যাওয়ার মোরাম রাস্তার মাঝে এই সেতু দিয়েই প্রতিদিন নাগরিপাদা, পাঞ্চামি, বামনদা, হাতিটোপ, বাকসা, বালিমুণ্ডি, নড়রির মতো গ্রামগুলির বাসিন্দারা যাতায়াত করেন, কুলডিহা ও ধুমসাই হাটে যান। এলাকার হাইস্কুলও রয়েছে নাগরিপাদায়। ফলে, পড়ুয়ারাও দুর্ভোগে পড়ে। 

স্থানীয় মানকি মুর্মু, রসিক মুর্মু নন্দিনী রাজ-দের অভিযোগ, “জোরে হাঁটলেই সেতু নড়তে থাকে। ট্রেকার বা অটো যেতে চায় না। বহুবার প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি জানানো হয়েছে।” বিজেপির দখলে থাকা আড়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রধান সরেন বলেন, “সেতুটির পুনর্নির্মাণ প্রয়োজন। আমরা সদ্য গ্রাম পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় এসেছি। পঞ্চায়েতের সীমিত আর্থিক ক্ষমতায় সেতু তৈরি করা সম্ভব নয়। সেতুর জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।”

নয়াগ্রামের বিডিও সৌরেন্দ্রনাথ পতি বলেন, “সেতুটি আমি পরিদর্শন করেছি। সেতুটির বিস্তারিত রিপোর্ট ও নতুন সেতু তৈরির প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব।”


Anandabazar Patrika Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading Newspaper