হদিস নেই দেহের, পাড়ে জমছে ক্ষোভ

প্রতীকী ছবি। সৌজন্যে শাটারস্টক।

সন্ধ্যা নামতেই মনটা ‘কু’ ডেকেছিল ফিরোজা বিবির। সঙ্গীদের বারবার বলেছিল পথঘাট ভাল নয়, তার পরে নদী পার। অন্ধকার নামার আগেই চলো ঘরে ফিরতে হবে। কিন্তু ঘাটে গিয়ে সেই কু’ডাকাটা যে এমন ভাবে সত্যি হবে ভাবতে পারেনি বছর চল্লিশের ফিরোজা। দুর্ঘটনায় মৃত আত্মীয়কে দেখে ফেরার পথে সন্ধ্যায় নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফিরে এখনও আতঙ্ক কাটেনি তাঁর। ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও বাড়ির পাশের ১৭ মাসের আলামিন মণ্ডল এখনও ঘরে ফেরেনি। তার মা ডোমকল মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে আলামিনের কোনও খোঁজ মেলেনি। কেবল আলামিন নয়, খোঁজ নেই পাশের গ্রাম কল্যাণপুরের জহুরা বিবি ও সাড়ে চার বছরের মেয়ে উম্মে সালমার। বুধবার হরিহরপাড়ার চোঁয়ায় দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ডোমকলের মধ্য গরিবপুরের জাহান মণ্ডলের। বৃন্দাবনপুরের ২৫ জন সেখানে যান ভৈরবীর ওই ফেরিঘাট পেরিয়ে। ২৪ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। তল্লাশি চলছে নাগাড়ে। কিন্তু দেহের খোঁজ মেলেনি। ভোর থেকে নেমেছে এনডিআরএফ। কিন্তু দেহের সন্ধান পায়নি তারা। ডোমকলের পুর প্রধান সৌমিক হোসেন। তার কথায়, ‘‘খারাপ লাগছে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও নিখোঁজের সন্ধান মেলেনি। তল্লাশিতেও কোনও খামতি নেই, পুলিশ ও প্রশাসন প্রথম থেকে ঘটনাস্থলে আছে।’’