Richa Chadha

‘লোভের কি শেষ নেই? পাপ হবে!’ শহরের রাস্তায় দিগ্‌ভ্রষ্ট নীলগাই, ক্ষোভ উগরে দিলেন রিচা-সাবা

সমাজমাধ্যমে কিছু ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, একদল নীলগাই খানিকটা বিভ্রান্তের মতোই দ্বারকার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। যদিও এই ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। সেই ভিডিয়ো দেখেই ক্ষুব্ধ রিচা চড্‌ঢা ও সাবা আজ়াদ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১৯:৪৫
Share:

ক্ষোভ উগরে কী বললেন রিচা ও সাবা? ছবি: সংগৃহীত।

দ্বারকার জঙ্গল সাফ করা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়ো ও প্রতিবেদন ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন অভিনেত্রী রিচা চড্ঢা ও সাবা আজ়াদ। তাঁদের অভিযোগ, বন-জঙ্গল ধ্বংসের ফলে একাধিক নীলগাই তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান হারিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এখন তারা শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে বাধ্য হচ্ছে। তেমনই কিছু ভিডিয়োও ছড়িয়েছে, যা থেকে শুরু বিতর্ক।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে কিছু ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, একদল নীলগাই খানিকটা বিভ্রান্তের মতোই দ্বারকার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওই পোস্টে দাবি, উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ওই বনাঞ্চল পরিষ্কার করা হচ্ছে। ফলে বহু প্রাণী খাদ্য ও আশ্রয় হারিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ উগরে দেন রিচা। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “ভয়ঙ্কর! গরু নিয়ে রাজনীতি, নীলগাইকে মরার জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তোমাদের সকলকে ঈশ্বর পাপ দেবেন।”

গোটা ঘটনায় বিরক্ত সাবাও। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োটি ভাগ করে জোর গলায় নগরায়ণ ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তিনি লেখেন, “যা কিছু ভাল, সব আমরা চুরি করি আর ধ্বংস করি। ক্ষমতায় থাকা মানুষেরা জঙ্গল দেখলেই প্রথমে এটাই কী করে চিন্তা করেন যে, সব কেটে ফেলতে হবে! দিন দিন গরম বাড়ছে। আর আমরা গাছ কাটা বাড়িয়েই চলেছি। প্রাণীগুলো কোথায় যাবে? কোথায় আশ্রয় নেবে? এই উন্নতি আসলে কার জন্য? শহরগুলো তো বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে— বায়ুদূষণ, তাপমাত্রা এমনই যে আমরাই ধীরে ধীরে সিদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের লোভের কি কোনও শেষ নেই?”

Advertisement

এই বিতর্কে যোগ দেন অভিনেত্রী জয়া ভট্টাচার্যও। তিনিও মন্তব্য করেন, “এ সব বন্ধ হওয়া দরকার।” সমাজমাধ্যমে অনেকেই একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দ্রুত নগরায়ণ ও বনভূমি ধ্বংসের ফলে শুধু বন্যপ্রাণী নয়, মানুষের জীবনযাত্রাও মারাত্মক ভাবে প্রভাবিত হচ্ছে— বিশেষ করে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা ও দূষণের কারণে। যদিও এই ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। এটি ১৫ মে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement