Food for Anxiety

বুক ধড়ফড়, হাত ঠান্ডা, উদ্বেগে কাঁপছে সারা শরীর! ৫টি খাবার নিয়মিত খেলে কমবে সমস্যা

স্বাস্থ্যকর খাবারে পুষ্টিকর উপাদানগুলি শরীরের কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং পেট ও মস্তিষ্কের সরাসরি যোগসূত্রকে আরও উন্নত করে মনকে শান্ত রাখে। ফলে কয়েকটি খাবার রোজ খেতে হবে, যাতে মন ও মেজাজ ঠিক থাকে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সমস্যা কমে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ১৯:৪৬
Share:

কোন কোন খাবার মনকে শান্ত রাখতে পারে? ছবি: সংগৃহীত।

রান্নাঘরের চেনা খাবার ও মশলাগুলি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এই পুষ্টিকর উপাদানগুলি শরীরের কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং পেট ও মস্তিষ্কের সরাসরি যোগসূত্রকে আরও উন্নত করে মনকে শান্ত রাখে। এ ছাড়া, এ সবে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান স্নায়ুর উত্তেজনাকে প্রশমিত করে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার লক্ষণগুলি সহজেই কমিয়ে আনতে পারে।

Advertisement

টক দই

গরমের সময়ে দেশের বহু হেঁশেলে ‌ঘরে দই পাতা হয়। এমন তাপপ্রবাহের সময়ে টক দই খেলে শরীর ঠান্ডা হয়। কিন্তু তার পাশাপাশি অন্ত্রের উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার পুষ্টির জোগান দিতে দইয়ের মতো প্রোবায়োটিকের প্রয়োজন রয়েছে। আর অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখলে মনও ভাল থাকে। রোজ এক বাটি দই খেলে উৎকণ্ঠার উপসর্গগুলি কমতে পারে ধীরে ধীরে।

Advertisement

সবুজ শাকসব্জি

ম্যাগনেশিয়ামে ভরপুর সবুজ শাকসব্জি স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজনাকে প্রশমিত করতে পারে। স্ট্রেস হরমোনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য শাকসব্জি খুবই কার্যকরী। বি ভিটামিন এবং ফাইবারের কারণে গায়ে বল পাওয়া যায়। এর ফলেও মন ভাল থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়। দুর্বলতা থেকে চাপা উত্তেজনা ভিতরে ভিতরে চলতে পারে।

বাদাম

জলে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে আমন্ড খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। এতে রয়েছে ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। ও দিকে আখরোটে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। রোজ সান্ধ্যকালীন স্ন্যাক্‌স হিসেবে কয়েকটি করে বাদাম খেলে সেরোটোনিনের হরমোনকে নিয়ন্ত্রণ করে ও কর্টিসলের মাত্রা কমায়। সেরোটোনিন হরমোন স্নায়ুকোষগুলির মধ্যে সঙ্কেত বহন করে এবং মেজাজ, ঘুম, হজমের মতো গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক কাজকর্মকেও নিয়ন্ত্রণ করে। আর কর্টিসল হল স্ট্রেস হরমোন।

কলা ও মরসুমি ফল

গ্রীষ্মের মরসুমি ফল সকলেরই পছন্দ। তা সে তরমুজ হোক বা আম, লিচু হোক বা কাঁঠাল। তার সঙ্গে অবশ্যই কলা গুরুত্বপূর্ণ। মিষ্টি এই ফলে রয়েছে প্রভূত পরিমাণে পটাশিয়াম। আর তাই মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং রক্তে শর্করার মাত্রার দিকে নজর রাখার জন্য কলা খুব উপকারী। এই তালিকায় যুক হতে পারে পেয়ারাও।

আমলকি

অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও ভিটামিন সি-তে ভরপুর আমলকি শরীর ও মনের জন্য খুব উপকারী। কোষের অক্সিডেটিভ স্ট্রেসকে কমিয়ে রাখতে সাহায্য করে আমলকি।

এ ছাড়াও ডাল, রুটি, হলুদ ইত্যাদিও উদ্বেগের সমস্যা কমানোর প্রক্রিয়ায় সাহায্য করতে পারে। এর সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুম, সঠিক পরিমাণে জলপান, যোগাসন এবং প্রাণায়াম অভ্যাস করা প্রয়োজন। বাড়িতে তৈরি সাধারণ ভারতীয় খাবার মনকে শান্ত করতে পারে। বাইরের ভাজাভুজি, প্রক্রিয়াজাত খাবারে অম্বল যেমন বাড়বে, বেড়ে যাবে উদ্বেগের সমস্যাও।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement