Solutions for Brain Fog

সাময়িক স্মৃতিলোপ হচ্ছে, মনোযোগ বসছে না? ৫ উপায় মেনে চললেই ‘ব্রেন ফগ’-এর ঝুঁকি কমানো সম্ভব

বয়স হলে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে অল্প বয়সেই যদি সব ভুলতে শুরু করেন, সে ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের মতে ‘ব্রেন ফগ’-এর কারণে এমনটা হতে পারে। ৫টি উপায়ে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। জেনে নিন, সেগুলি কী কী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ১৮:৪০
Share:

কিছুই মনে থাকছে না? ছবি: সংগৃহীত।

কাজের চাপ, বাড়ির চাপ, ব্যক্তিগত চাপ— এই সব চাপের মধ্যে দীর্ঘ দিন থাকতে থাকতে অনেকের এক এক সময়ে মনে হয়, মাথাটা বোঝাই হয়ে গিয়েছে। নিজে আর কোনও ভাবেই নিজের মধ্যে নেই। সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। মনোবিদ্যার ভাষায় অনেকে একে ‘ব্রেন ফগ’ বা ‘মাথার কুয়াশা’ বলেন।

Advertisement

বয়স হলে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে অল্প বয়সেই যদি সব ভুলতে শুরু করেন, সে ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের মতে ‘ব্রেন ফগ’-এর কারণে এমনটা হতে পারে। ‘ব্রেন ফগ’ কথাটি আদতে কোনও বৈজ্ঞানিক শব্দবন্ধ নয়। সাধারণত এই সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরা নিজেদের শারীরিক অবস্থা ব্যাখ্যা করার জন্য এই শব্দটি বলে থাকেন। আচমকা ভাবনাচিন্তা শ্লথ হয়ে যাওয়া, মনোযোগের অভাব, স্মৃতিলোপের মতো নানা ধরনের সমস্যাকে উপসর্গের অন্তর্গত ভাবা হয়। অনেকে সমস্যায় পড়েন কথা বলার সময়েও। কথা বলতে গিয়েও বলতে না পারার সমস্যা দেখা দিতে পারে অনেক ক্ষেত্রে।

৫টি উপায় ‘ব্রেন ফগ’-এর সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। জেনে নিন, সেগুলি কী কী।

Advertisement

১) ৬-৮ ঘণ্টার ঘুম নিশ্চিত করুন। ৪-৫ ঘণ্টা ঘুমোলে ‘ব্রেন ফগ’-এর সমস্যা কিন্তু বাড়বে। ঘুম আদতে বিনা মূল্যে পাওয়া ওষুধের মতো। পর্যাপ্ত ঘুমোলে মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে, শরীরেরও উপকার হয়। ঠিক মতো ঘুমোলেই ‘ব্রেন ফগ’-এর সমস্যা অনেকটাই কমবে।

২) পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। শরীরে জলের ঘাটতি না হলে ‘ব্রেন ফগ’-এর ঝুঁকি কমে। ডিহাইড্রেশন হলেই মস্তিষ্কে পুষ্টি ও অক্সিজ়েনের সরবরাহ ব্যাহত হয়, ফলে এর ঝুঁকি বাড়ে।

৩) রোজের ডায়েট পরিচ্ছন্ন আর স্বাস্থ্যকর হতে হবে। ডায়েটে শাকসব্জি, প্রোটিন বেশি করে রাখতে হবে। ভাজাভুজি, প্রক্রিয়াজাত খাবার, প্যাকেটজাত খাবার থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। চিনি বা চিনিযুক্ত খাবার যত কম খাবেন ততই ভাল। রোজের ডায়েটে তেল খাওয়ার পরিমাণ কমালেও উপকার পাবেন।

৪) শরীরচর্চার সময় না পেলেও নিয়মিত হাঁটার জন্য সময় বার করতে হবে। নিয়মিত হাঁটলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়, শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। এই সব কারণে ‘ব্রেন ফগ’-এর ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

৫) ‘ব্রেন ফগ’-এর সমস্যা দূর করতে হলে সবার আগে মানসিক চাপ মুক্ত থাকা দরকার। এর জন্য নিয়ম করে যোগব্যায়াম, প্রাণায়াম ও শ্বাসের ব্যায়াম করতে হবে। মনমেজাজ চনমনে থাকলে ‘ব্রেন ফগ’-এর ঝুঁকি কমে কিংবা ব্রেন ফগিং শুরু হলেও তাড়াতাড়ি সুস্থ জীবনে ফিরে আসা যায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement