করিনা কপূর খান। ছবি: সংগৃহীত।
দুই সন্তানের মা হয়েও ভাল রাখা যায় নিজেকে। নতুন করে ফেরা যায় অভিনয়েও। সংসার-পেশা দুই-ই নিজস্ব উপায়ে সামলানো যায়। মাতৃত্ব যে কাজের পথে বাধা নয়, তা অন্য অনেক নায়িকার মতোই প্রমাণ করেছেন বলিউড নায়িকা করিনা কপূর খান। ২০২৩ সালে ‘দ্য বাকিংহাম মার্ডারস’ ছবিতে অভিনয় করেছেন দুই সন্তানের মা।
বাস্তব জীবনেও বহু মা রয়েছেন, যাঁরা সংসার-কাজের চাপে নিজেদের ভাল থাকা ভুলতে বসেছেন। কিন্তু সব কিছু সুন্দর ভাবে সামলাতে হলে নিজেকে ভাল রাখা জরুরি। করিনা বার বার তাঁর ফিটনেসে জোর দিয়েছেন। শারীরচর্চার ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। মানসিক চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছেন। করিনা কপূরের জীবনযাপন থেকে এমন কী কী শিখতে পারেন ব্যস্ত মায়েরা?
কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা
সংসার সামলানো হোক বা পেশাগত জীবন, পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই। সাফল্যের জন্য প্রয়োজন একাগ্রতা, জেদ, কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা। আর সেখানেই উত্তীর্ণ করিনা। তৈমুর এবং জাহাঙ্গির দুই সন্তানের জন্মের পর ওজন বেড়েছিল তাঁর। ব্যস্ততাও ছিল। কিন্তু শারীরচর্চায় ফাঁকি দেননি। পিলাটিজ় ( বিশেষ ব্যায়াম যা পেশির নমনীয়তা এবং শক্তি বৃদ্ধি করে) প্রশিক্ষক নম্রতা পুরোহিত জানিয়েছেন, করিনা কপূরকে প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে তিনি বুঝেছেন অভিনেত্রীর নিষ্ঠা। করিনা শারীরচর্চা উপভোগ করেন। নতুন কিছু শেখার জন্য তিনি বরাবর উৎসাহী।
শারীরচর্চায় ব্যস্ত করিনা। ছবি: সংগৃহীত।
সন্তান সামলে ফিট থাকার উপায়
সন্তান যখন ছোট থাকে তখন মায়ের ব্যস্ততার শেষ থাকে না। নতুন মায়েরা নিজেদের ভাল-মন্দ এড়িয়ে যান। ভাবেন শারীরচর্চার সময় কোথায়? করিনা কপূর দুই সন্তানকে সামলেছেন, অভিনয়ও করেছেন। করিনা জানিয়েছেন, এমনটা করার জন্য ফিটনেসে নজর দেওয়া দরকার। সময় পেলে হাঁটতে হবে। তাতে শরীর ফিট থাকবে। আরও খানিক সময় বার করে ব্যায়ামও করতে হবে। শারীরচর্চার মধ্যে থাকতেই হবে।
সহজ শারীরচর্চা
করিনা বিভিন্ন সময়ে কিক বক্সিং করেছেন। ২০০৬ সাল থেকে যোগাভ্যাসও করেন। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর নিয়মিত যোগাসন করতেন তিনি। যোগাসনের জন্য বেশি শারীরিক কসরতের দরকার হয় না। নিয়মিত প্রাণায়াম এবং যোগাসন করলে শরীর চনমনে থাকে। মন শান্ত হয়। সংসার, সন্তান, কাজ সব সামলেও মিনিট দশেক নিজের জন্য ব্যয় করাই যায়।